https://ganbichchitra.blogspot.com/google785737830bcedd5c.htm July 2018 ~ www.ganbichchitra.blogspot.com

জ্ঞান বিচিত্রা জ্ঞানের আলো,জ্ঞানের সন্ধানে সবাই চলো

AD BANNER
IT World Bangla

রাগ হল এমন একটি বাতাস যা বিবেকের প্রদীপ নিভিয়ে দেয়

মুক্ত বিশ্বাস হচ্ছে সকল সাফল্য, সকল অর্জনের ভিত্তি। বিশ্বাসই রোগ নিরাময় করে, মেধাকে বিকশিত করে, যোগ্যতাকে কাজে লাগায়, দক্ষতা সৃষ্টি করে। ব্যর্থতাকে সাফল্যে আর অশান্তিকে প্রশান্তিতে রূপান্তরিত করে।

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

নিয়ত বা অভিপ্রায় হচ্ছে মনের লাগাম। নিয়ত মনকে নিয়ন্ত্রন করে, দেহকে সঠিক পথে পরিচালিত করে, দেহ-মনে নতুন বাস্তবতার জন্ম দেয়

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

ব্যক্তিগত খেয়াল বা আবেগ আর জীবনের লক্ষ্যকে এক করে ফেলবেন না। লক্ষ্যকে যখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন তখন তা আপনাব্যর্থরা অবচেতনভাবে ব্যর্থতার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে। সচেতনভাবে সাফল্যের সঙ্গে একাত্ম হলে সহপাঠী বা প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক আর বন্ধুত্ব এক নয়। চেতনা ও আদর্শের মিল রয়েছে এমন কারো সঙ্গেই বন্ধুত্ব হতে পারে।সাফল্যই আপনার দিকে আকৃষ্ট হবে।কে আবেগের ঊর্ধ্বে নিয়ে যাবে

Banga Bandu Bridge

“ মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক, যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ, কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনাসূদে অকৃত্রিম ভালোবাসা ”


Friday, July 6, 2018

উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)

আপনারা উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমটিকে কার্যকরী ভাবে আরও দ্রুততর করতে পারবেন সহজেই। কেননা, আমাদের অনেকেরই এরকম ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ রয়েছে যেগুলো উইন্ডোজ ৮ এবং এর পরের ভার্সন গুলো সাপোর্ট করেনা। সেহেতু, উইন্ডোজ ৭-ই ভরসা। আর এজন্যেই আজকের এই টিউটোরিয়ালটি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। চলুন, জেনে নেই সেই উপায় গুলো যার সাহায্যে আপনার সেই চিরচেনা উইন্ডোজ ৭ কাজ করবে আগের চাইতেও দ্রুত।

Aero থিম ডিজঅ্যাবল করুন

আমরা উইন্ডোজ ৭ এর ডিফল্ট Aero থিমের সাথে প্রায় সবাই কম বেশি পরিচিত। চমৎকার ইন্টারফেসটি ব্যবহারকারীদের মন জয় করলেও এর রান করার জন্য দরকার হয় কিছুটা শক্তিশালী হার্ডওয়্যার এবং এই থিমটি রান করার সময় কম্পিউটারের বেশ খানিকটা রিসোর্স ব্যবহার করে থাকে এবং ফলে চমৎকার ইন্টারফেসের কারণে স্মুথ অপারেটিং সিস্টেম কিছুটা হলেও ল্যাগি হয়ে যায়। তাই, আপনি ইচ্ছে করলেই উইন্ডোজের এই Aero থিম ডিজঅ্যাবল করে রাখতে পারেন। এর জন্য প্রথমে ডেস্কটপের উপর মাউস কার্সর রেখে রাইট ক্লিক করুন এবং কনটেক্সট মেন্যু থেকে Windows color সিলেক্ট করুন। এবার নতুন উইন্ডো এলে Enable transparency বক্সের পাশের টিক চিহ্নটি তুলে দিন, ব্যাস! হয়ে গেল।
Unlimited Web Hosting
মেগা টিউটোরিয়াল উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)

আপনার কম্পিউটার থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম মুছে দিন

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কারও কাছ থেকে নতুন একটি সফটওয়্যারের কথা শুনলেই সেটি কিনে বা ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ইন্সটল করেন। কিন্তু, মনে রাখবেন আপনার ইন্সটল করা এই সকল অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলো আপনার কম্পিউটারে ইন্সটলেশনের সময় সিস্টেমের স্পেস দখল করার পাশাপাশিও তৈরি করছে নানা রকম জাঙ্ক ফাইল এবং টেম্পোরারি ফাইল। তাই, যদি স্মুথ অপারেটিং সিস্টেমের স্বাদ কিছুটা হলেও উপভোগ করতে চান তবে এখনই আপনার কম্পিউটারে থাকা অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো আন-ইন্সটল করুন।

অপ্রয়োজনীয় ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট গুলো ডিজঅ্যাবল করুন

Aero থিম ইফেক্টের মতই ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট গুলো আমাদের কম্পিউটারের বেশ কিছু রিসোর্স দখল করে যার ফলে অপারেটিং সিস্টেম সামান্য পরিমাণে হলেও স্লো হয়ে যায়। এজন্যে আপনি ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট গুলো ডিজঅ্যাবল করে রাখতে পারেন। এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে,
  • My computer এর উপর মাউসের রাইট ক্লিক করুন এবং ‘Propertise’ সিলেক্ট করুন।
  • নতুন উইন্ডোর বাম পাশে দেখতে পাবেন ‘Advanced system settings’ নামের একটি অপশন আছে, ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর যে উইন্ডোটি আসবে তার ‘Performance’ অপশনটির নিচের Settings বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করলে ‘Performance Options’ নামের একটি ছোট পপ আপ উইন্ডো ওপেন হবে।
  • নতুন পপ আপ উইন্ডোটির Advance ট্যাব সিলেক্ট করলে নিচের মত একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন।
মেগা টিউটোরিয়াল2 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)
  • এবার আপনি Custom এ টিক চিহ্ন দিয়ে নিচের স্ক্রিন শটের মত সেটিংস করে Ok চেপে বের হয়ে আসুন।
মেগা টিউটোরিয়াল3 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)
  • ইফেক্ট সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন হবার জন্য আপনার কম্পিউটারটি রিস্টার্ট দিয়ে নিন।

ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট সুবিধা ব্যবহার করুন

আপনারা সম্ভবত সবাই জেনে থাকবেন যে আমাদের কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে জমে থাকা ফাইল সমূহের ফ্র্যাগমেন্টেশনের ফলে আমাদের কম্পিউটারের সিস্টেম স্লো হয়ে যায়, তাই এই সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনি মাঝে মাঝেই আপনার ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট সুবিধা ব্যবহার করুন। এত করে আপনার সিস্টেম ফাস্টতো হবেই, পাশাপাশি আপনার হার্ড ড্রাইভের আয়ুও কিছুটা বৃদ্ধি পাবে। ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট করার জন্য আপনাকে Start > Programs > Accessories > System Tools > Disk defragment লোকেশনে যেতে হবে।
মেগা টিউটোরিয়াল4 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)

ডিস্ক ক্লিন-আপ সুবিধা ব্যবহার করুন

ডিস্ক ক্লিন-আপও ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট এর মতই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা, ডিস্ক-ক্লিন আপ সুবিধা আপনার কম্পিউটারে জমে থাকা টেম্পোরারি ফাইল সমূহ জমে থাকতে সাহায্য করে। এই সুবিধা ব্যবহারের জন্য আপনাকে Start > Programs > Accessories > System Tools > Disk cleanup লোকেশনে যেতে হবে।
মেগা টিউটোরিয়াল5 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)
এরপর আপনার যে ড্রাইভটি ক্লিন করা দরকার সেটি সিলেক্ট করে Ok চাপলেই ক্লিন-আপ প্রসেস শুরু হবে।

কম্পিউটারের স্টার্ট আপে যথা সম্ভব কম সফটওয়্যার সিলেক্ট করুন

আপনি যদি আপনার কম্পিউটারের স্টার্ট আপের সময় বেশি সফটওয়্যার সিলেক্ট করে রাখেন তবে আপনার কম্পিউটার চালু হবার সময়েই যথেষ্ট স্লো হয়ে যাবে কেননা যে কোন প্রোগ্রামই রান করার জন্য বেশ কিছু স্পেস দখল করে রাখে। তাই আপনি Run > CMD > msconfig এ গিয়ে ‘Startup’ ট্যাব সিলেক্ট করে স্টার্ট আপের সময় কোন কোন সফটওয়্যার আপনি স্টার্ট আপে সিলেক্ট করতে চান তা ম্যানেজ করতে পারবেন।
মেগা টিউটোরিয়াল6 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)

রুটিন মাফিক আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না তা চেক করুন

আমরা অনেকেই অজান্তেই মাঝে মাঝে ক্ষতিকর সাইটে চলে যাই যার মাধ্যমে আমাদের কম্পিউটারে জমা হয়ে নানা প্রকার ম্যালওয়্যার এবং এসব ম্যালওয়্যার নানা রকম ক্ষতি করার সাথে সাথে কম্পিউটারকেও করে তোলে বেশ ল্যাগি। এর জন্য ভালো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে আপনি প্রায় রুটিন মাফিক আপনার কম্পিউটারটিতে কোন প্রকার ভাইরাস আছে কি না তা চেক করতে পারেন।
মেগা টিউটোরিয়াল7 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)
তবে হ্যাঁ, মনে রাখবেন – আপনি অবশ্যই একই কম্পিউটারে একের অধিক এন্টিভাইরাস রাখবেন না। এতে করেও আপনার কম্পিউটারের সিস্টেম স্লো হয়ে যাবে।

স্ক্রিন সেভার এবং ওয়ালপেপার ব্যবহার করবেন না

হয়তো শিরোনামটা আপনার হাস্যকর লেগেছে! ভাবছেন, ‘কি বলছি এসব!!’ কিন্তু, যেহেতু আমি আজকে কথাই বলছি উইন্ডোজ ৭-কে কীভাবে কিছুটা হলেও দ্রুততর করা যায় তাই অতি ছোট্ট পয়েন্টও আপনাদের সাথে আমার শেয়ার করা উচিৎ বলে আমি মনে করি, তাই এই পয়েন্টটিও লিখলাম। স্ক্রিন সেভার মেইন মেমোরিতো (র‍্যাম) ব্যবহার করেই, ওয়ালপেপারও করে থাকে। তাই যদি পারেন তবে এড়িয়ে চলুন।

সার্চ ইনডেক্স ফিচার ডিজঅ্যাবল করুন

উইন্ডোজের এই সার্চ ইনডেক্স ফিচারটি মাঝে মাঝে কাজে লাগলেও তা কিছুটা হলেও র‍্যামের রিসোর্স দখল করে বসে থাকে। যেহেতু এই ফিচারটি এতটা ফ্রিকোয়েন্টলি কেউ ব্যবহার করেনা তাই এটা আপনি ডিজঅ্যাবল করে রাখতে পারেন। এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে:
  • ‘My computer’ অথবা ‘Computer’ এর উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে ‘Manage’ অপশনটি সিলেক্ট করুন।
  • নতুন খোলা উইন্ডোর বাম পাশের নিচের দিকে একটি অপশন দেখতে পাবেন, ‘Services and Application’ নামের। সিলেক্ট করুন।
  • দুটি অপশন পাবেন, Services এবং WMII control, আপনি Services সিলেক্ট করুন। নিচের মত একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন।
মেগা টিউটোরিয়াল8 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)
এবার এই লিস্ট থেকে Windows Search খুঁজে বের করুন এবং ক্লিক করুন। নিচের স্ক্রিন শটের মত একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন।
মেগা টিউটোরিয়াল9 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)
  • এবার আপনি Starup type’ অপশনের Disabled সিলেক্ট করে Ok চেপে বের হয়ে আসুন।
ব্যাস হয়ে গেলো সার্চ ইনডেক্স ডিজঅ্যাবল্ড।

থাম্বনেইল প্রিভিউ ডিস্যাবল করুন

এর জন্য আপনাকে যা করতে হবেঃ
  • computer অথবা my computer ওপেন করুন।
  • উইন্ডোর উপরের দিকে একটি অপশন দেখতে পাবেন ‘Organize’, সিলেক্ট করুন।
  • এবার ‘Folder and search option’ অপশনটি সিলেক্ট করুন।
  • নিচের মত নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হলে View ট্যাবটি সিলেক্ট করুন।
মেগা টিউটোরিয়াল10 উইন্ডোজ ৭ এর গতি বাড়ান (স্টেপ বাই স্টেপ মেগা টিউটোরিয়াল)
  • এবার উপরের স্ক্রিন শটের মার্কড অংশের মত টিক চিহ্ন দিয়ে বের হয়ে আসুন, ব্যাস।
আশা করি উপরের ধাপ গুলো অনুসরণ করলে আপনারা আপনাদের চির চেনা উইন্ডোজ ৭-কে কিছুটা হলেও দ্রুততর করতে পারবেন। আজ আর লিখছিনা,আগামীতে দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে। ততদিন, ভালো থাকুন আপনারা সবাই।

উইন্ডোজের শর্টকাট কি

উইন্ডোজের শর্টকাট কি

Alt + Tab টাস্কবারে মিনিমাইজ করা ফাইল খোলা।
Alt + Shift + Tab একই সময়ে মিনিমাইজ করা অন্য আরেকটি ফাইলখোলা।
Ctrl + Tab বিভিন্ন আইকন বা খোলা থাকা ফাইলেকারসর নিয়ে যাওয়া।
Ctrl + Shift + Tab মাই ডকুমেন্টসে কারসর নিয়ে যাওয়া।
Alt + Print Screen স্ক্রিনশট তৈরি করা।
Ctrl + Alt + Del শাটডাউন, রিস্টার্ট, লগ-অফ ইত্যাদি করার জন্য ডায়ালগ বক্স খোলা।
Ctrl + Shift + Esc উইন্ডোজ টাস্কবার খোলা।
Ctrl + Esc স্টার্ট মেনুতে প্রবেশ।
Alt + Esc টাস্কবারে মিনিমাইজ করা ফাইল নির্বাচন করা।
Alt + Spacebar ফাইল খোলা অবস্থায় রিস্টোর, মিনিমাইজ ও ক্লোজ সক্রিয় করা
Alt + Enter নির্বাচিত আইকনের প্রপার্টিজ দেখা।
Shift + Del নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারকে হার্ডডিস্ক থেকে একেবারে মুছে ফেলা।
F1 উইন্ডোজ হেল্প অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার খোলা।
F2 নির্বাচিত ফাইল বা আইকনের নাম পরিবর্তন করা (রিনেম)।
F3 ফাইল খোঁজা।
F4 অ্যাড্রেসবার থেকে ড্রাইভ বা ফাইল খোঁজা।
Alt + F4 চলতি প্রোগ্রাম বন্ধ করা বা উইন্ডোজ শাটডাউন করা।
Ctrl + F4 খোলা ফাইল বন্ধ করা।
F6 অ্যাড্রেসবার নির্বাচিত ও অন্যান্য ড্রাইভ বা অপশন নির্বাচন করা।
F8 চালু হওয়ার সময় উইন্ডোজ সেফ মুডে থাকবে।
F10 মাই কম্পিউটারের ফাইল মেনুবার নির্বাচন ও অন্যান্য মেনুবারের প্রথম অক্ষরে আন্ডারলাইন তৈরি।
WINKEY স্টার্ট মেনু খুলবে।
WINKEY + F1 উইন্ডোজ হেল্প অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার খোলা।
WINKEY + Pause/Break সিস্টেম প্রপার্টিজ ডায়ালগ বক্সে প্রবেশ করা।
WINKEY + D ডেস্কটপ রিফ্রেশ করা এবং অন্যান্য মেসেজ বক্স বন্ধ করা।
WINKEY + E মাই কম্পিউটার ফোল্ডার খোলা।
WINKEY + F সার্চ রেজাল্ট বক্স খোলা।
WINKEY + Ctrl + F সার্চ রেজাল্ট বক্সে নাম দিয়ে কম্পিউটার খোঁজা (নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে)।
WINKEY + L কম্পিউটার চালু হওয়ার সময়ের পাসওয়ার্ড বক্স খোলা ও পাসওয়ার্ড দেওয়া।
WINKEY + M মাই কম্পিউটার, মাই ডকুমেন্টস ইত্যাদি উইন্ডো মিনিমাইজ করা।
WINKEY + Shift + M মাই কম্পিউটার, মাই ডকুমেন্টস ইত্যাদি মিনিমাইজ করা উইন্ডো খোলা।
WINKEY + R রান বক্স খোলা।
WINKEY + U ইউটিলিটি ম্যানেজার খোলা।
WINKEY + Tab মিনিমাইজ করা ডকুমেন্ট বা উইন্ডো নির্বাচন করা

একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা

একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা

আমরা যারা মোবাইল বা মডেম দ্বারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা চাইলে অনান্য লোকাল কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করে ব্যবহার করতে পারি। ধরি আপনার কম্পিউটারটি আরো দুটি কম্পিউটারের সাথে ল্যানের সাহায্যে সংযোগ স্থাপন করা আছে। আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ নিয়েছেন। এখন আপনি চাইলে অনান্য কম্পিউটারগুলোতেও ইন্টারনেটের সংযোগ দিতে পারেন শেয়ার করে। এতে অবশ্য গতি কিছুটা কমে যাবে।এজন্য আপনি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস দেখে নিন। ধরি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস হচ্ছে ১৯২.১৬৮.১.১২।


প্রথমে আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ স্থাপন করুন। এরপরে সিস্টেম ট্রেতে থাকা উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন। অথবা Control Panel থেকে Network Connections এ গিয়ে উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন একটি স্টেটাস উইন্ডো আসবে। এবার General ট্যাবে থেকে Properties বাটনে ক্লিক করুন তাহলে প্রোপার্টিস উইন্ডো আসবে। এবার Advance ট্যাবে ক্লিক করে Internet Connection Sharing অংশে Allow other network users to connect through this computer’s internet connection চেক (যদি আপনার একাধিক লোকাল এরিয়ার সংযোগ থাকে তাহলে একটি ম্যাসেজ আসবে যে আপনি কোন লোকাল এরিয়াতে ইন্টারনেট শেয়ার দিবেন, আপনি আপনার পছন্দেরটি নির্বাচন করবেন।) করে Ok করুন। তাহলে Network Connections এর পরপর তিনটি ম্যাসেজ আসবে যেগুলোতে ধারাবাহিক ভাবে Ok Yes Ok করুন। এখন দেখুন আপনার কম্পিউটারের লোকাল আইপি পরিবর্তন হয়ে ১৯২.১৬৮.০.১ হয়েছে।

এখন আপনি লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার আইপি ১৯২.১৬৮.০.১ পরিবর্তন করে পূর্বের আইপি ১৯২.১৬৮.১.১২ দিন এবং Ok করুন।
এবার যে কম্পিউটারে আপনি ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চান সেই কম্পিউটারের লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার Default gateway এর আইপি এড্রেস হিসাবে ১৯২.১৬৮.১.১২ লিখুন। এরপরে Use the flowing DNS server addresses অপশন বাটন চেক করে Preferred DNS server এর আইপি এড্রেস হিসাবেও ১৯২.১৬৮.১.১২ লিখে Ok Ok Ok করুন।
এবার দেখুন আপনার এই কম্পিউটারে ইন্টারনেটের সংযোগ এসেছে। এভাবে আপনি অন্য আরেকটি কম্পিউটারে সংযোগ নিতে পারনে। ব্রডব্যান্ডের সংযোগও এভাবে শেয়ার করে ব্যবহার করা যাবে।