https://ganbichchitra.blogspot.com/google785737830bcedd5c.htm January 2019 ~ www.ganbichchitra.blogspot.com

জ্ঞান বিচিত্রা জ্ঞানের আলো,জ্ঞানের সন্ধানে সবাই চলো

AD BANNER
IT World Bangla

রাগ হল এমন একটি বাতাস যা বিবেকের প্রদীপ নিভিয়ে দেয়

মুক্ত বিশ্বাস হচ্ছে সকল সাফল্য, সকল অর্জনের ভিত্তি। বিশ্বাসই রোগ নিরাময় করে, মেধাকে বিকশিত করে, যোগ্যতাকে কাজে লাগায়, দক্ষতা সৃষ্টি করে। ব্যর্থতাকে সাফল্যে আর অশান্তিকে প্রশান্তিতে রূপান্তরিত করে।

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

নিয়ত বা অভিপ্রায় হচ্ছে মনের লাগাম। নিয়ত মনকে নিয়ন্ত্রন করে, দেহকে সঠিক পথে পরিচালিত করে, দেহ-মনে নতুন বাস্তবতার জন্ম দেয়

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

ব্যক্তিগত খেয়াল বা আবেগ আর জীবনের লক্ষ্যকে এক করে ফেলবেন না। লক্ষ্যকে যখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন তখন তা আপনাব্যর্থরা অবচেতনভাবে ব্যর্থতার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে। সচেতনভাবে সাফল্যের সঙ্গে একাত্ম হলে সহপাঠী বা প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক আর বন্ধুত্ব এক নয়। চেতনা ও আদর্শের মিল রয়েছে এমন কারো সঙ্গেই বন্ধুত্ব হতে পারে।সাফল্যই আপনার দিকে আকৃষ্ট হবে।কে আবেগের ঊর্ধ্বে নিয়ে যাবে

Banga Bandu Bridge

“ মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক, যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ, কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনাসূদে অকৃত্রিম ভালোবাসা ”


Thursday, January 31, 2019

পেন ড্রাইভে শো করুন নিজের ছবি

কেউ যদি আগেই পড়ে ফেলেন তাহলে Sorry. তবে যারা জানেন না তাদের জন্য আশা করি এটা একটা জটিল টিপস।
ড্রাইভে শো করুন নিজের ছবি পেন ড্রাইভে শো করুন নিজের ছবিপেন ড্রাইভে কিভাবে কাস্টম ছবি শো করতে হয় আমি সেটা নিয়ে আলোচনা করতে পারব। কাজটা করার জন্য আপনাকে একটা ছোট্ট কোডের সাহায্য নিতে হবে। সেই সাথে থাকতে হবে একটা আইকন ফরম্যাটের ছবি। আর অবশ্যই একটা পেন ড্রাইভ। এবার তাহলে শুরু করা যাক-
Unlimited Web Hosting
প্রথমেই Notepad চালু করুন। অথবা আপনার পেন ড্রাইভে গিয়ে New Text Document চালু করুন। তারপর নিচের কোড টি কপি করুন অথবা টাইপ করুন-
[Autorun]
Label=Marks
Icon=Munna.ico
এবার এই ফাইলটিকে সেভ করুন Autorun.inf নামে। এখানে Label=Marks মানে হল পেন ড্রাইভের নাম। এখানে যদি Marks এর বদলে Hossain লিখেন তাহলে এটাই পেন ড্রাইভের নাম হবে।
Icon=Munna.ico মানে হল আপনার আইকন ফাইলের নাম। Munna.ico এটাকে আপনার আইকন ফাইলের সাথে Replace করুন। মনে রাখবেন .ico এক্সটেনশনটি অবশ্যই রাখতে হবে।
আর আইকন ইমেজটি অবশ্যই অবশ্যই আপনার পেন ড্রাইভে রাখতে হবে। এখন কথা হল যদি আইকন না থাকে তাহলে? অথবা আপনি যদি আইকন বানাতে না পারেন? আমার কাছে অনলাইন অফলাইন দুটো উপায় ই আছে –

জানুন অ্যান্ড্রয়েড রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা

জানুন অ্যান্ড্রয়েড রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা

এখানে আমরা আলোচনা করবো “অ্যান্ড্রয়েড রুট কি : রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা?” এবং রুটিং অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সুবিধা এবং অসুবিধা সমূহ কি । কেন আপনি রুটিং ফোন ব্যবহার করবেন আর কেনই বা করবেন না । এই সম্পর্কিত আলোচনা থাকবে এখানে ।
জানুন  অ্যান্ড্রয়েড রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা
Unlimited Web Hosting
অ্যান্ড্রয়েড রুটিং কিঃ
অ্যান্ড্রয়েড রুট একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্রাহক সম্পূর্ণ ভাবে তার ফোনটি কন্ট্রোল করতে পাড়বে।
আপনি ডিভাইসটি নিজের ইচ্ছেমত ব্যবহার করতে পারবে ।
রুটিং মানে হচ্ছে স্পেশাল একটি সুবিধা গ্রাহকের জন্য । এটি ফোনের এক রকম সকল প্রোগ্রামকে কন্ট্রোল করে । এটি ফোনের টোটাল উইন্ডজটিকে কন্ট্রোল করে ।
রুট করার পর কি করবেন
রুট করার পর কি করবেন? আপনি আপনার পছন্দের মোড’স, কারনেল, কাস্টম রম ইন্সটল করতে পারবেন। আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড এর লেটেস্ট ভার্সন ইন্সটল করতে পারবেন ললিপপ আপডেট (যেমন অ্যান্ড্রয়েড এর ৬.০.১ মার্শম্যালো)।
রুটিং এর সুবিধা কি ? কি কারনে রুটিং এর ব্যবহার ব্যাপক
১। লুকানো বৈশিষ্ট্য এবং ইন্সটল ইঙ্কম্পেটিবলঃ আপনি ইচ্ছে করলে আপনার ফোনের বেমানান অ্যাপস গুলো আনলক করতে পারবেন ।
২। এন্ড্রএড ডিভাইস এর মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হ্যাক করাঃ আসলেই এটি সত্যি। আপনি চাইলেই আপনার অ্যান্ড্রয়েডটি দিয়ে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের ডিভাইস টি হ্যাক করতে পারবেন। এমন কি আপনি চাইলে ওই নেটওয়ার্কের কানেক্ট থাকা যেকোনো ইউসার কে আপনি নেটওয়ার্কের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন ।
“ওয়াই-ফাই” একটি অ্যাপ্লিকেশান নেটওয়ার্কের হ্যাকিং এর জন্য ।
৩। আপনার মোবাইলের প্রসেসর অভারলক করাঃ আপনি আপনার মোবাইলের প্রসেসর এর গতি বাড়াতে পারবেন। কিন্তু এটি প্রসেসর এর জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ । তাই এর আগে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে রাখা উচিৎ ।
৪। ব্লক এডস ফ্রম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসঃ আমাদের অনেকের ফোনেই অনেক অবাঞ্চিত এডস আসতে থাকে। যা কিছু কিছু গ্রাহকের কাছে খুবি বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায়। এ সমস্ত বিরক্তি থেকে রুট অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে দেবে মুক্তি ।
আপনি রুট করে এডস ব্লক দিয়ে রাখলে আপনি পাবেন এই অবাঞ্চিত ঝামেলা থেকে মুক্তি। এই ব্যাপারে র‍্যটিং এর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত ব্যাপক ।
৫। আপনার ডিভাইস এর র‍্যাম বৃদ্ধিঃ রুটিং আপনার ডিভাইসটির ডাটার ঘনত্ব বিপর্যয় কমিয়ে এর জায়গা বৃদ্ধি করে । রুটিং এর ফলে আপনি এই সুবিধা টি পাবেন আপনার অ্যান্ড্রয়েডটিতে ।
৬। বিভিন্ন ধরনের রম’স, মুড’স, কারনেলঃ আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন ধরনের রম’স কারনেল এবং মুড’স ইন্সটল করতে পারবেন। অবশ্য এই তা তখনি করতে পারবেন যখন রুটিং ডিভাইস টি ইন্সটল করা থাকবে ।
অ্যান্ড্রয়েড একটি সর্বশ্রেষ্ঠ অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল ডিভাইস হিসেবে এবং সর্বজন নির্ধারিত ।
৭। ব্যাটারির বুস্ট লাইফের জন্য আন্ডারলক সিপিইউঃ আপনি আপনার ফোনটির ব্যাটারির আরও বেশি টেকসই এর জন্য আপনি আপনার সিপিইউটিকে আন্ডারলক করে রাখতে পারবেন ।
রুটিং এর অসুবিধা সমূহ:
১। ব্রিকিংঃ রুটিং হল একটি ড্রেডেড শব্দ । এটি ইন্সটল থাকলে আপনার ফোনটিতে কোন বড় সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন না । আপনি যদি এটি কোন ব্যাবসায়িক কাজে ব্যবহার করেন তবে এটি দিয়ে আপনি লাভবান হবেন না ।
এমন কি যদি এটি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হয় তবে এর জন্য আপনাকে জরিমানা দিতে হতে পারে । কোন বড় কাজে বা ব্যাবসায়িক কাজে এর সুফল তেমন নেই ।
২। মোবাইল রুট করলে কি হয় : এটি ব্যবহার এর সাথে সাথে আপনার ফোনের ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাবে কারন এর পর আপনি আর কর্তৃপক্ষকে এই টা দেখাতে পারবেন না । আপনি এই রুটিং বন্ধ করেও যদি ফোনটিকে ওয়ারেন্টিতে পাঠান তাতেও কোন লাভ হবে না ।
কারন, রুট একবার ইন্সটল করা হলে এর পরে আর এর ডিভাইস আগের মত থাকে না । তাই এর ব্যবহারের সাথে সাথে আপনার ওয়ারেন্টির কথা ভুলে যেতে হবে।
৩। সিকিউরিটি রিস্কঃ রুটিং ব্যবহারের ফলে আপনার ফোনটি সিকিউরিটি রিস্কে পরে যাবে। কারন রুটিং ইন্সটলের সাথে সাথে আপনার আপনার ডিফল্ট সেটিংস চেঞ্জ হয়ে যাবে ।
তাই এর সিকিউরিটি আগের মত থাকবে না ।
যার ফলে আপনার ফোনটি একটি সিকিউরিটিহীন অবস্থায় পরবে । আর এতে আপনার একটি ফোনের উপর নির্ভর করে অনেক বড় বড় সমস্যা হতে পারে যা আপনি হয়ত কল্পনাও করতে পারবেন না ।
তাই আমাদের উচিত মোবাইল রুট করলে কি হয় এর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা তৈরি করা। কারন, তা না হলে অজ্ঞতার কারনে অনেক বড় বড় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। যা কি না আপনি ধারনাও করতে পারবেন না।
তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এর সুবিধাও ব্যাপক। যা অন্য কোন অ্যাপ আপনাকে দিতে পারবে না।
অনেক সময় আমাদের ছোট ছোট কিছু ভুলে ঘটে যায় বড় বড় দুর্ঘটনা। আবার অনেক সময় না জানার কারনে অনেক আপডেট অ্যাপ সম্পর্কে ধারনা না পেয়ে আমরা পরে থাকি এনালগ জগতে।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচান! জেনে নিন টিপস্


প্রয়োজনের তুলনায় ফোনের ইন্টার্নাল স্টোরেজ যেন সবসময়ই কম মনে হয়। তবে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অনেকটা জায়গা বাঁচিয়ে নেয়া যায়। চলুন জেনে নেই সেই উপায়গুলো সম্পর্কে।
১. ক্যাশে ও ডেটা ক্লিয়ার
ফোনের অ্যাপ ম্যানেজারে যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপগুলো সিলেক্ট করুন। তারপর তার ডেটা ও ক্যাশে ডিলিট করুন। এতে পুরোনো অ্যাপ পছন্দ মুছে গেলেও একসঙ্গে অনেক জিবি বেঁচে যায়। তবে মনে রাখবেন, অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাশে বাড়বে এবং আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে ডেটা সাইজ বাড়বে।
Unlimited Web Hosting
২. এসডি কার্ডে অ্যাপ ইনস্টল 
সবসময় স্মার্টফোনের ওএস-এর উপর চাপ কেন দেবেন? কিছু অ্যাপ মাইক্রো এসডি কার্ডে পাঠিয়ে দিন। এতে জায়গাও বাঁচবে এবং স্মার্টফোনটি দ্রুত কাজও করবে।
৩. পুরোনো ডাউনলোড ডিলিট
অনেক সময়ই আমরা বহু ফাইল ডাউনলোডের পর তা ডিলিট করতে ভুলে যায়। এর ফলে ওই ফাইলগুলো জায়গা নিয়ে বসে থাকে। তাই একদিন সময় করে ডাউনলোডস ফোল্ডারে যান। পুরোনো অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সিলেক্ট করে দিন ডিলিট টিপে। দেখবেন, অনেকটা হালকা হবে ফোনটি!
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচান! জেনে নিন টিপস্
৪. গুগল ফটোস
সাধারণ গ্যালারি স্টোরেজ না বাড়িয়ে গুগল ফটোসে ফটো ব্যাকআপ করাই যেতে পারে। এর মাধ্যমে যখন ইচ্ছা ফটো দেখতেও পারবেন পাশাপাশি এডিটও করতে পারবেন। বাড়তি পাওনা গ্যালারি স্টোরেজ কমবে।
৫. লাইট অ্যাপ ব্যবহার করুন
ফেসবুক, মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপগুলোর কিন্তু লাইট ভার্সন রয়েছে। এর ফলে আপনার স্মার্টফোনের স্টোরেজ বাড়ে এবং ওএস-ও ফাস্ট কাজ করে।

Wednesday, January 30, 2019

এবার আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করুন!

আপনার Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে । Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ফোনে Tethering System দেওয়া থাকে । কিংবা আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন , এই বিষয়ে আপনারা জানেন । কিন্তু আপনি যখন ফ্রি ইন্টারনেট এর ক্ষেত্রে Tethering System বা বিভিন্ন সফটওয়্যার যেমন PDA NET ব্যবহার করেন তখন এটি ফ্রি নেটের পদ্ধতির সাথে কাজ করে না। এই অবস্থায় আপনি কি করবেন ।
এক্ষেত্রে আপনি Tethering System ব্যবহার করবেন না , এক্ষেত্রে আপনি Dial up পদ্ধতি ব্যবহার
Unlimited Web Hosting
করবেন । আসুন দেখা যাক কিভাবে আপনি একটি Dial up কানেকশন তৈরি করবেন এবং এর সাহায্যে
আপনার Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার / নেট কানেক্ট করবেন ।
এবার আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করুন!
১। প্রথমত আপনার পিসিতে ফোনের USB DRIVER ইন্সটল দিন । USBDRIVER কোথায় পাবেন ?
আপনি যখন ফোন ক্রয় করেছিলেন তখন সাথে যদি কোন CD পেয়ে থাকেন , তাহলে সেই CD দেখুন ।
অথবা গুগলে খোঁজ করুন । কিংবা সরাসরি ফোন কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন । (USB DRIVER
হতে হবে ঠিক আপনার ফোন কোম্পানির জন্য , যেমন আপনি যদি Samsung ব্যবহার করেন তাহলে
আপনাকে Samsung Phone USB DRIVER install দিতে হবে )
২। Dial up Connection তৈরি করার জন্য নিচের ধাপগুলো ফলো করুন ।
Settings-Control Panel-Network
Connections-Create New network
connections-next-
Connect to the internet – Set up my
connection manually – connect using a
dial up modem – ISP name এ যেকোন নাম দিন , যেমন-
Grameenphone , – Phone no এর ঘরে দিন *99# – next- finish ( এখানে *99# / *99*1#/ *99*2#/ *99*3# ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন , মূলত Dial up Connection কে আলাদা করার জন্য
*99# এর পরে 1 ,2 , 3 নম্বর ব্যবহার করা হয় )
৩। APN সেটিং করবেন যেভাবে । Settings-Control Panel-Phone and modem options এ Country- Bangladesh এবং Area Code – 1000 দিন । আবার , Settings-Control Panel-
Phone and modem options এ যান । Modem এ ক্লিক করুন । Grameenphone সিলেক্ট করুন । Properties এ যান । Advanced এ ক্লিক করুন । Extra initialization command এ
নিচের মত লিখুন –AT +CGDCONT=1,”IP”,”gpwap” এখানে APN- gpwap , এখন থেকে APN
পরিবর্তন করতে চাইলে শুধু gpwap এর জায়গায় আপনার কাঙ্ক্ষিত APN লিখুন ।
৪। এবার control panel – network connections থেকে Dial upConnection, যার নাম দিয়েছিলেন
Grameenphone , সেটা কানেক্ট করুন… ।

এন্ড্রয়েড ব্যবহার করেন? জানুন ১২ টি সুবিধাজনক কৌশল!

এন্দ্রয়েড ব্যবহারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দিক হচ্ছে সহযেই এবং সল্প সময়ে কাজ করা যায়। আর এন্ড্রয়েড ব্যবহারের জন্য অনেকেই সুবিধা জনক কিছু কৌশল ব্যবহার করে থাকে।আর আজ আপনাদের সাথে এন্ড্রয়েড ব্যবহারের ১২ টি সুবিধাজনক কৌশল নিয়ে আলোচনা কর।
Android_App_7 এন্ড্রয়েড ব্যবহার করেন? জানুন ১২ টি সুবিধাজনক কৌশল!
Unlimited Web Hosting
১. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একে নিজের ইচ্ছেমতো সাজাতে পারবেন। এ ছাড়া অসংখ্য অ্যাপের ব্যবহারে ব্যাপক সুবিধা ভোগ করা যায়। আবার লঞ্চার ব্যবহারের মাধ্যমে মোবাইলের অ্যাপগুলোকে সাজিয়ে রাখতে পারবেন।
২. গুগলের পুরো সুবিধা মিলবে কেবলমাত্র অ্যান্ড্রয়েডে। জিমেইল, ক্যালেন্ডার, ফটোস এবং অন্যান্য দারুণ কিছু অ্যাপ পাবেন। আরো আছে গুগলের ভয়েস অ্যাসিস্টেন্ট। এ ছাড়া সর্বসাম্প্রতিক সংস্করণ মার্শমেলোতে গুগল নাউ নামের লঞ্চার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মার্শমেলোর সঙ্গে গুগল সার্চ অপশন পাবেন। সেখান থেকে যখন তখন সার্চ দেওয়া সম্ভব।
৩. অ্যাপগুলোর সঙ্গে আপনি কি শেয়ার করছেন তা সহজে জানা যায়। সেটিং মেনুতে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ম্যানেজারে গিয়ে নির্দিষ্ট অ্যাপের ক্ষেত্রে ‘পারমিশন’-এর তালিকা পাবেন। নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে পারমিশনের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবেন আপনি।
৪.আরেকটি মজার বিষয় হলো, বিভিন্ন অ্যাপের বিশেষ কিছু ফাংশন অটোমেটিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। যে ব্রাউজার ভালো লাগে বা যে পিডিএফ রিডারটি পছন্দ তা এমনিতেই চলে আসবে। ফোনটি আপনাকে ডিফল্ট অ্যাপ সেটআপ করে নিতে বলবে। করে নিলেও পরে সেটিংস থেকে ‘ক্লিয়ার ডিফল্টস’ করে নিতে পারবেন।
৫. মোবাইলের ডেটা ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। সেটিংস মেনুতে ডেটা ইউজেস নামে অপশন পাবেন। অ্যান্ড্রয়েডে আছে বিল্ট-ইন ডেটা ট্র্যাকার।
৬. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারবেন। অনেক অ্যাপ রয়েছে যা ব্যবহার করা হয় না। এদের কিছু আবার মুছেও ফেলা যায় না। তবে এদের ডিসঅ্যাবল করা যায়।
৭. ব্যাটারির শক্তি আধুনিক স্মার্টফোনের বড় সমস্যা। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ব্যাটারির শক্তি বাঁচানোর মোড দেওয়া হয়েছে।
৮. যেকোনো বিষয়কে আরো উন্নততর ও দ্রুত ব্যবহার করতে নিজেই একজন ডেভেলপার হয়ে উঠতে পারেন। সেটিংসয়-এ ‘অ্যাবাউট দিস ফোন’ অপশন থেকে ডেভেলপার হয়ে যেতে পারেন। সেখানে পাবেন বিল্ড নম্বর। সেখানে আই অ্যাম কমপ্লিটলি সিরিয়াস অ্যাবাউট দিস অংশে সাত বার চাপ দিলেই ডেভেলপার বনে যাবেন।
৯. সেটিংস-এ যেতে পারবেন খুব দ্রুত। নোটিফিকেশন মেনু থেকে দ্রুত সেটিংস পেয়ে যাবেন। অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে কুইক সেটিংস মেনু পাবেন অনয়াসে।
১০. একযোগে একাধিক কাজ কর
তে পারবেন। একসঙ্গে দুটো অ্যাপ্লিকেশন চলবে এতে। সম্প্রতি যে অ্যাপগুলো নিয়ে কাজ করেছেন তা একটি হোম বাটনে থাকে। সেখানে চাপ দিয়ে ধরে রাখুন। বিচ্ছিন্ন স্ক্রিন আকারে অ্যাপগুলো চলে আসবে। সেখান থেকে বাছাই করে নিতে পারবেন।
১১. গেসচার সার্চ একটি দারুণ পদ্ধতি। আঙুলের আঁকিবুকিতে নানা কমান্ড দিতে পারবেন। আপনি স্মার্টফোনে প্রায় সবাই খুঁজে পাবেন। শুধু নির্দিষ্ট নির্দেশের জন্যে গেসচার ঠিক করে নিন।
১২. দ্রুত ক্যামেরায় ঢুকতে পারবেন। অনেক মডেলের স্মার্টফোনে আঙুলের এক স্পর্শেই ক্যামেরা চালু অবস্থায় পাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের লক স্ক্রিনেই ক্যামেরার শর্টকাট রয়েছে।

Wednesday, January 23, 2019

পেনড্রাইভ ফরম্যাট না হলে কি করবেন ?


   
ভাইরাস আক্রমন করলে বা পেনড্রাইভ এ সমস্যা থাকলে অনেক সময় পেনড্রাইভ ফরম্যাট হতে চায় না ।কিন্তু দেখা যায় ফরম্যাট করা খুবই প্রয়োজন ।
এরকম সমস্যায় পড়লে নিচের নিয়ম অনুসরণ করে ফরম্যাট করতে পারবেন ।
প্রথমে My Computer এ রাইট ক্লিক করে Manage সিলেক্ট করুন ।এবার বাম পাশের Disk Management এ ক্লিক করলে ডান পাশে আপনার হার্ডডিস্ক ও পেনড্রাইভ এর লিস্ট দেখাবে ।
সেখানে আপনার পেনড্রাইভ এর উপর রাইট ক্লিক করে ফরম্যাট এ ক্লিক করলে পেনড্রাইভ
ফরম্যাট অপশন পাওয়া যাবে ।এবার পেনড্রাইভ ফরম্যাট করুন ।

এভাবেও যদি ফরম্যাট না হয় তাহলেও একটা উপায় আছে ।

কম্পিউটারের হ্যাং সমস্যা সমাধান করুন


   
আমাদের কম্পিউটার গুলো মাঝে মাঝেই  hang করে বসে । যার ফলে আমাদের নানা সমস্যা হয় ।
আসুন আমরা হাং সমস্যা দূর করি । 


কম্পিউটারের হ্যাং সমস্যা সমাধান করার  System টি হল:
01. Start থেকে  Run এ গিয়ে regedit লিখে ‍ ইন্টার চাপুন।
02.  Hkey_Current_User এ ডাবল ক্লিক করুন।
03. Control Panel এ ডাবল ক্লিক করুন।
04. Desktop এ ডাবল ক্লিক করুন।
05. এখন ডান পাশের  auto end task এ ডাবল ক্লিক করুন।
06. এখানে Value Data  হিসেবে 0 এর পরিবর্তে 1 লিখে OK  ক্লিক করে বের হয়ে আসুন। 
আপনি Not Responding প্রোগ্রামটি বন্ধ করে দিয়েছেন ।  
এর ফলে আর  PC হ্যাং হবে না ।

USB pendrive বা SD card কে কম্পিউটারের RAM হিসেবে ব্যবহার করা

USB pendrive বা SD card কে কম্পিউটারের RAM হিসেবে ব্যবহার করা

   
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি । USB pendrive বা SD card কে কম্পিউটারের RAM হিসেবে ব্যবহার করবেন তাই নিয়ে আলোচনা করবো ।
USB pendrive বা SD card কে কম্পিউটারের RAM হিসেবে ব্যবহার করে আপনি পিসি এর গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন ।
Windows 7  ইউজার রা খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারবেন Readyboost software দ্বারা । আর এই সফটওয়্যার টি Windows 7  এ দেয়া থাকে ।
Windows XP ইউজারদের  Ebooster নামে একটি সফটওয়্যার ইন্সটল করতে হবে ।
আসুন তাহলে দেখে নেই কিভাবে কাজটি করতে হবে !!!!!



Windows 7 Users:
১। আপনার USB  ড্রাইভ টি লাগান ।
২। অটো প্লে বক্স থেকে Speed UpMy System অপশনটি সিলেক্ট করুন ।
যদি অটো প্লে বক্স না ওপেন হয় তাহলে [ My Computer -> RightClick on your Flash Drive -> Properties->Choose ReadyboostTab. ] সিলেক্ট করুন ।
৩। এবার দুটো অপশন দেখতে পাবেন ।
*. Dedicate this device to Ready boost : This will use entire memory of Flash drive as RAM.
*. Use this Device : Using this youcan Reserve space for storing data in USB and the space left will be used as RAM.
৪। আপনার পছন্দের অপশন সিলেক্ট করে OK দিন ।
আপনার USB  ড্রাইভ টি RAM এ Convert হয়ে গেল ।
UNDO করতে ( goto My Computer -> Right Click on yourFlash Drive -> Properties->Choose ReadyboostTab) & Select " Do not use this Device " in the above step and Click OK.


Windows XP Users :

১>> Install Ebooster (    http://www.mediafire.com/?l4ymvrmgmfz  ) Full version (4.43 MB)
২>> Ebooster open করুন and Detect your USB device and select a option.
 কতটুকু memory র‍্যাম  হিসেবে  allocate করতে চান তা সিলেক্ট করুন ।
৩>> Click OK .
৪>> একটা  pop window  ওপেন হবে তারপর  " Start Build Cache " সিলেক্ট করুন ।
কাজ শেষ । 
 UNDO করতে  select Stopbuild Cache and then Remove করুন ।

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর কিছু উপায়


   
কম্পিউটারের গতি বাড়ানো যায় কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখলে।
তেমন কিছু বিষয় নিচে দেওয়া হলোঃ


১. কম্পিউটারে কখনো Theme ইনস্টল করা উচিত নয়।থিম কম্পিউটারকে অনেক ধীর করে দেয়।
২. কম্পিউটারে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, কথা বলা ঘড়ি (ভয়েস ঘড়ি) ইত্যাদি ইনস্টল করবেন না। এগুলো কম্পিউটারকে ধীর করে দেয়।
৩. Recycle bin সব সময় ফাঁকা রাখুন। Recycle bin-এ কোনো ফাইল রাখবেন না। Recycle bin-এ ফাইল রাখলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়।
৪. Start থেকে Run-এ ক্লিক করে এক এক করে Prefetch, temp, %temp%, cookies, recent লিখে ok করুন। ফোল্ডারগুলো খুললে সবগুলো ফাইল মুছে ফেলুন (ডিলিট)। কোনো ফাইল না মুছলে সেটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মুছে ফেলুন।
৫. কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়বে।
৬. ডেস্কটপে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন ডান পাশ থেকে Settings-এ ক্লিক করে ১৬ বিট নির্বাচন করে ok করুন।
৭. আবার Start থেকে Run-এ ক্লিক করে msconfig লিখে ok করুন। এখন ডান পাশের Services-এ ক্লিক করুন। যে প্রোগ্রামগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলোর বাঁ পাশ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন। এখন Startup-এ ক্লিক করে বাঁ পাশের সবগুলো টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। Restart দিতে বললে Restart দিন।
৮. এখন My Computer খুলে সি ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। তারপর Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রত্যেকটি ড্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
৯. Start থেকে Control Panel-এ যান। Automatic Updates-এ ডবল ক্লিক করুন। Turn off Automatic Updates নির্বাচন করে ok তে ক্লিক করুন। যাঁরা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, এটা তাঁদের জন্য প্রযোজ্য।
১০. My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। এখন Customs সিলেক্ট করে সবার নিচের বক্সের ঠিক চিহ্নটি রেখে বাকি সবগুলো তুলে দিয়ে ok করুন।
১১. আবার My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced সিলেক্ট করে নৃিচে ডান পাশে Error Reporting-এ ক্লিক করুন। Disable সিলেক্ট করে ok করুন।

১২. My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন System Restore-এ ক্লিক করে Turn off System Restore on all drives-এ ঠিক চিহ্ন দিয়ে ok তে ক্লিক করুন। নতুন একটি উইন্ডো এলে সেটির yes-এ ক্লিক করুন।
ডেস্কটপে যত কম আইকন রাখা যায় ততই ভালো।
১৩. Ctrl + Alt + Delete চেপে বা Task bar-এ রাইট ক্লিক করে Task Manager ওপেন করুন। তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রামের তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না, সেগুলো সিলেক্ট করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। এই প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামও আছে। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেমের কোনো সমস্যা হয়, তাহলে কম্পিউটার Restart দিন। ঠিক হয়ে যাবে।
১৪. কম্পিউটারের র্যাম কম থাকলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার কিছুটা ফাস্ট করা যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance-এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামতো size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র্যামের size-এর দ্বিগুণ এবং Maximum size-এ র্যামের size-এর চারগুণ দিলে ভালো হয়।
১৫. প্রথমে Control panel-এ যান। Control panel থেকে Add or Remove-এ ডবল ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাঁ পাশ থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না, সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন, তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে একই পদ্ধতিতে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful massage এলে Finish-এ ক্লিক করুন। Restart করতে বললে Restart করুন।
১৬. শুধু আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করুন। যে সফটওয়্যারগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলো কাজ শেষ করে আবার আন-ইনস্টল করে দিন।
১৭. হার্ডডিস্কের ১৫ শতাংশ জায়গা ফাঁকা রাখলে এবং নিয়মিত ডিফ্রাগমেন্ট করলে কম্পিউটার অনেক ফাস্ট থাকে।
হার্ডডিস্কের ফাঁকা স্থানের পরিমাণ যত বেশি থাকে ততই ভালো।
১৮. সফটওয়্যার ইনস্টল করে ব্যবহার করার চেয়ে পোর্টেবল (বহনযোগ্য) সফটওয়্যার ব্যবহার করলে কম্পিউটার বেশি ফাস্ট থাকে।

Voice Change করার মজার একটি সফটওয়্যার নিন সিরিয়াল কী সহ !!!


   
AV Voice Changer Diamond 7.0.22 সফটওয়্যারটি অত্যন্ত মজার একটি সফটওয়্যার। এর সাহায্যে আপনি আপনার গলার স্বর পরিবর্তন করতে পারেন। আপনি পুরুষ বা মহিলা কণ্ঠে আপনার কণ্ঠস্বর কনভার্ট করতে পারবেন। এতে বিভিন্ন বয়সের কণ্ঠ করা সম্ভব। এই সফটওয়্যার দিয়ে yahoo messenger বা Skype তে গলার স্বর পরিবর্তন করে আপনার বন্ধুকে চমকে দিতে পারেন। এক কথায় বলা যায় এটি অসাধারন একটি মজার সফটওয়্যার।
 ডাউনলোড করতেঃ
এখানে ক্লিক করে Download করুন।

 যেভাবে সেট আপ করবেনঃ 
১. প্রথমে জিপ ফাইলটি extract করুন।
২.  এরপর setup অ্যাপ্লিকেশান থেকে অ্যাপ্লিকেশান রান করুন।
৩. registration করতে keygen ব্যবহার করুন। কীজেন ওপেন করে প্রথমে একটা মেইল অ্যাড্রেস দিন। তারপর আপনার নাম লিখুন। দেখবেন ২৫ টি অক্ষর সম্বলিত একটি সিরিয়াল নাম্বার আসবে।
৪. এগুলো setup করার সময় কপি করে পেস্ট করুন। এরপর next করতে থাকুন।
যদি এতে কোন সমস্যা হয় তাহলে নিচের কী গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

Serial: KE91H-UITME-3ANQ3-KRNCI-P4KY3

 সবাইকে ধন্যবাদ । 

৫ মিনিটে XP/Windows7 SETUP করুন Acronis True Image Home দিয়ে খুব সহজে


   
আজ আমি আপনাদের দারুন কাজের একটি সফটওয়ার দিব যার মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই উইন্ডোজ ইনস্টল করতে পারবেন। আপনারা হয়ত অনেকে জেনেছেন ৫ মিনিটে উইন্ডোজ ইনস্টল করা যায় কিন্তু স্ক্রিন সর্ট সহ বিস্তারিত জানার অভাবে ইনস্টল দিতে ভয় পাচ্ছেন।
এই সফটয়ারটি মূলত আপনার উন্ডোজের সকল এপলিকেশন গুলোকে ব্যাকআপ রাখে এবং কোন কারনে উইন্ডোজ নস্ট/করাপ্ট হয়ে গেলে ব্যাকআপ ফাইল থেকে রিস্টোর করে। এই সফটয়ারটির মাধ্যমে আপনি ৫ মিনিটের মধ্যে উইন্ডোজ সহ সকল সফটওয়ার ও ড্রাইভার সেটআপ দিতে পারবেন। $49.99 মূল্যের সফটওয়ারটি একদম ফ্রি। নিচে কয়েকটি ধাপে সফটওয়ারটির বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করবো ।
আমার এই লিখাটি তাদের জন্য যারা মনোযোগ সহকারে পুরো পোষ্টটি পড়বেন। মনোযোগ সহকারে পড়লেই কেবল আপনারা এই সফটওয়ারটি সম্পরকে বুঝতে পারবেন। সফটওয়ারটি আমি খুব সহজ ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। সফটওয়ারটি ডাউনলোডের জন্য নিচের লিংটিতে ক্লিক করুন Acronis True Image Home এর ওয়েব সাইটটি আসবে সেখান থেকে Free Trial  ক্লিক করলে সফটওয়ারটি ডাউনলোড হবে।

সফটওয়ারটি এখানে থেকে Download করুন    

লাইসেন্স কী :AKH7K4E3-XXN4H5BQ-CYP64NAA-WF98JT7T-CLFS3BBM-LKUMEJU4-N78YSFZ8-VZZEYMXW

 সফটওয়ারটি ডাউনলোড শেষে সিরিয়াল কি দিয়ে সেট আপ করে নিন। ঠিকভাবে সেটআপ হলে আপনাকে একটি বুটেবল সিডি তৈরি করে নিতে হবে।ভয় নেই খুব সহজ। এজন্য আপনার ডিভিডি রাইটা ও একটি ব্ল্যান্ক সিডি থাকতে হবে। রাইটার যদি না থাকে তাহলে আইএসও ইমেজ তৈরি করে রাখুন পরে কারো কাছ থেকে ডিভিডি রাইটার এনে বুটেবল সিডি তৈরি করে নিবেন।এখন মূল কথায় আসা যাক।
প্রথম ধাপ:
1Vot1 



বুটেবল সিডি তৈরি :

উপরের চিত্রের মত Start গিয়ে Programs> Acronis >Acronis True Image Home থেকে Bootable Rescue Media Builder এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রটির মত দেখাবে।
2 Vot2
Next দিন
3 Vot3
এবার বাঁ পাশের ঘর থেকে Acronis True Image Home (Full version)  এর সামনের ঘরে টিক বসিয়ে দিন। Next দিন আবার Next দিন।
4 vot4
এবার উপরের চিত্রেরর ন্যায় CD-RW Drive (J:) সিলেকট করে দিয়ে আবার Next দিন
5 Vot5
এবার Proceed এ ক্লিক করুন। ব্যাস কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার বুটেবল সিডি তৈরি হয়ে যাবে। এবার সিডি আপনা আপনি বেরিয়ে আসবে। সিডিটি যত্ন সহকারে রেখে দিন কারন এটি আপনার এক্সপি সেট আপ নষ্ট হয়ে গেলে লাগবে।

দ্বিতীয় ধাপ :

উইন্ডোজের ব্যকআপ :

একটি ভাল ব্যকআপ নেয়ার আগে আপনাকে কতগুলি বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে।এগুলি হলো-
  • ১। আপনার উইন্ডোজটি যদি কিছুদিন আগে সেটআপ দিয়ে থাকেন তাহলে নতুন করে সেটআপ দেয়ার দরকার নেই। যদি অনেকদিন আগে দিয়ে থাকেন তাহলে দিয়ে নিন।
  • ২। প্রয়োজনীয় সফটওয়ার আপডেট করে নিতে হবে। যেমন- এন্টিভাইরাস,ডটনেট,জাভা ডাইরেকট এক্স ইত্যাদি।
  • ৩। প্রয়োজনীয় সফটওয়ারগুলি রেখে বাকি সফটওয়ার আনইনষ্টল করে ফেলতে হবে।
  • ৪।মাই ডকুমেন্ট ও সি ড্রাইভের সব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুন। ডাউনলোড ম্যানেজার বাই ডিফল্ট মাই ডকুমেন্ট এ একটা Download নামে ফোল্ডার তৈরি করে, সেটা চেক করে প্রয়োজনীয় ফাইল অন্য স্থানে নিয়ে বাকি সব ডিলেট করে ফেলুন।
  • ৫। রেজিষ্ট্রি ক্লিন করুন। এই জন্য আপনি CCleaner ব্যবহার করতে পারেন।
অর্থাৎ আপনি আপনার মনের মত করে কম্পিউটারকে সাজিয়ে নিতে পারেন।
প্রথমে আপনি  ডেস্কটপ থেকে অথবা প্রোগ্রামে গিয়ে Acronis True Image Home 2010 রান করুন।
6 bac1
লাল তীর চিহ্নিত Back Up অপশনটি ক্লিক করুন।
7 bac2
এবার Disk and Partition Backup অপশনটিতে ক্লিক করুন।
8 bac3
আপনার যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনস্টল করা হয়েছে তা সিলেক্ট করে দিন। সাধারণত সি ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনস্টল করা হয়। তাই সেটি ডিপল্ড হিসেবে সি ড্রাইভ সিলেক্ট করা থাকে। যদি সি ড্রাইবের বা পাশের ঘরটিতে টিক দেয়া থাকে না থাকলে টিক চিহ্ন বসিয়ে দিবেন। এরপর Next এ ক্লিক করুন।
9 bac4
এবার Browse  এ ক্লিক করুন।
10 bac5
এবার  সি এবং সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ ব্যাতিত অন্য যেকোন ড্রাইভ সিলেক্ট করুন। এরপর জেনারেট নেম এ ক্লিক করুন।
11 bac6
জেনারেট নেম এ ক্লিক করলে Mybackup নামে একটা ডিফল্ট নাম আসবে ফাইলের। আপনি ইচ্ছে করলে সেটা পরিবর্তন করতে পারবেন, তবে সবার শেষে .tib টা চেঞ্জ করবেন না। এবার ওকে করুন।
12 bac7
Next দিন
13 bac8
Proceed দিন। সব কিছু ঠিক থাকলে কিছুক্ষনের মধ্যেই ব্যকাপ প্রসেস শুরু হবে। শুধু মাত্র মাদারবোর্ড ড্রাইভার সহ উইন্ডোজ ব্যাকাপ নিলে ৪/৫ থেকে মিনিট লাগতে পারে। ফাইল সাইজ হতে পারে ১.৫ থেকে ২ জিবি। আর সব সফটওয়ার সহ নিলে সময় একটু বেশী নিবে এবং ফাইল সাইজ হতে পারে ৩.৫ থেকে ৪.৫ জিবি।
ব্যাকাপ নেয়া সফল হলে মেসেজ পাবেন।

তৃতীয় ধাপ :


ব্যকআপ রিস্টোর :

দুইভাবে উইন্ডোজ রিস্টোর করা যায়। তা হলো-
  • ১/ সরাসরি উইন্ডোজে থেকে।
  • ২/ বুটেবল সিডি দিয়ে।

১।  সরাসরি উইন্ডোজ থেকে কিভাবে রিস্টোর করা যায় তার বিবরণ নিচে দেয়া হল:-

ডেস্কটপ অথবা Start>programs থেকে Acronis > Acronis True Image Home সফটএয়ারটি চালু করুন।নিচের চিত্রের মত দেখাবে।
14re1
এবার Recover থেকে Disk and Partition Recover নির্বাচন করুন।
15 re2
এখন Browse এ ক্লিক করুন।
16 re3 

এখন আপনি যেই ড্রাইবে উইন্ডোজের ব্যাকাপ রেখেছিলেন  তা খুঁজে বের করুন। ড্রাইভের উপর দুই ক্লিক করতে হবে।

17 re4 
উপরের চিত্রের মত  সিলেক্ট করে ওকে করুন।

18 re5 
এবার উপরের চিত্রের মত সিলেক্ট করে Next ক্লিক করুন।


19 re6 
সি ড্রাইভের সামনের ঘরে টিক চিহ্ন বসিয়ে দিন এবং Next দিন।











20 re7 
এবার Proceed দিন।
21 rec9 
এবার Reboot ক্লিক করুন। কম্পিউটার রিস্ট্রাট  হবে।এর মধ্যে আপনার উইন্ডোজ ইনস্টল শুরু হবে। ৪/৫ মিনিট লাগবে।এবং শেষ হলে মেজেস পাবেন।

২/ Bootable CD দিয়ে রিস্টোর করার পদ্ধতি  :-

প্রথমে আপনাকে মাদারবোর্ডের BIOS এ গিয়ে বুট সিলেক্ট করে দিতে হবে CD/DVD ROM কে।
এর পর Acronis এর বুটেবল সিডিটি সিডি ড্রাইভে প্রবেশ করিয়ে পিসি Start করুন। আপনার BIOS First Boot হিসেবে সিডি সার্চ করবে এবং Acronis রান হবে। এবার দুটি অপশন থেকে আপনি Acronis True Image 2010 সিলেক্ট করুন।
পরবর্তি Step গুলো উইন্ডোজ থেকে রিস্ট্রোর করার মতই। সুতরাং সেটা ফলো করুন।
রিস্টোর শেষে Success মেসেজ আসলে ওকে দিয়ে ক্লোজ করুন। এবার উইন্ডোজ রিস্টার্ট হবে। যেহেতো বুটেবল সিডিটি এখনোও আপনার সিডি ড্রাইভে আছে, সেহেতো আবার সেই দুটি অপশন আসবে। আপনি এবার উইন্ডোজ সিলেক্ট করুন। ঠিক মত রিস্টোর হলে উইন্ডোজ রান হবে।
পরে BIOS এ গিয়ে বুট চেঞ্জ করে নিবেন।

২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার কালেকশন



   
আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার। এইখানে রয়েছে গ্রাফিক্স, ইন্টারনেট, প্রোগ্রামিং, চ্যাটিং   ইউটিলিটি সফটওয়্যার সহ বিভিন্ন ধরনের পোর্টেবল সফটওয়্যার।
নিচের সফটওয়্যার  গুলো দেখুন এবং আপনার পছন্দের পোর্টেবল সফটওয়্যারটি বেছে নিনঃ

 category   accessibility oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Accessibility


 category   development oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Development


 category   education oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Education


 category   graphicspictures oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Graphics & Pictures

 category   internet oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Internet


 category   musicvideo oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Music & Video


 category   office oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Office


 category   security oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Security


 category   utilities oxygen 32 নিয়ে নিন ২৫০+ পোর্টেবল সফটওয়্যার  Utilities