https://ganbichchitra.blogspot.com/google785737830bcedd5c.htm www.ganbichchitra.blogspot.com: Android Phone Tutorial

জ্ঞান বিচিত্রা জ্ঞানের আলো,জ্ঞানের সন্ধানে সবাই চলো

AD BANNER
IT World Bangla

রাগ হল এমন একটি বাতাস যা বিবেকের প্রদীপ নিভিয়ে দেয়

মুক্ত বিশ্বাস হচ্ছে সকল সাফল্য, সকল অর্জনের ভিত্তি। বিশ্বাসই রোগ নিরাময় করে, মেধাকে বিকশিত করে, যোগ্যতাকে কাজে লাগায়, দক্ষতা সৃষ্টি করে। ব্যর্থতাকে সাফল্যে আর অশান্তিকে প্রশান্তিতে রূপান্তরিত করে।

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

নিয়ত বা অভিপ্রায় হচ্ছে মনের লাগাম। নিয়ত মনকে নিয়ন্ত্রন করে, দেহকে সঠিক পথে পরিচালিত করে, দেহ-মনে নতুন বাস্তবতার জন্ম দেয়

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

ব্যক্তিগত খেয়াল বা আবেগ আর জীবনের লক্ষ্যকে এক করে ফেলবেন না। লক্ষ্যকে যখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন তখন তা আপনাব্যর্থরা অবচেতনভাবে ব্যর্থতার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে। সচেতনভাবে সাফল্যের সঙ্গে একাত্ম হলে সহপাঠী বা প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক আর বন্ধুত্ব এক নয়। চেতনা ও আদর্শের মিল রয়েছে এমন কারো সঙ্গেই বন্ধুত্ব হতে পারে।সাফল্যই আপনার দিকে আকৃষ্ট হবে।কে আবেগের ঊর্ধ্বে নিয়ে যাবে

Banga Bandu Bridge

“ মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক, যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ, কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনাসূদে অকৃত্রিম ভালোবাসা ”


Showing posts with label Android Phone Tutorial. Show all posts
Showing posts with label Android Phone Tutorial. Show all posts

Thursday, February 21, 2019

রুটেড আনরুটেড সকল Android ডিভাইসের GP free internet Opera Ucbrowser [new update with new server 23/3/2013]

রুটেড আনরুটেড সকল ডিভাইসের GP free internet জন্য। এজন্য প্রয়োজন হবে OperaMini অথবা UC Browser এবং একটি জিপি সিম। শুরতেই আপনার ডিভাইসটি কনফিগার করে নিতে হবে। এজন্য নিচে ফলো করুন, settings >wireless & networks >Mobile networks এ যান। যদি আপনি ডুয়েল সিম ইউজ করে থাকেন তাহলে Mobile networks এ প্রবেশ করার পর সিম সিলেক্ট করতেহবে। যদি জিপি সিমটি SIM1হয় তাহলে subscription 1 সিলেক্ট করুন। আর যদি জিপি সিমটি SIM2 হয়তাহলে subscription2 সিলেক্ট করুন। ধরুন আপনার জিপি সিমটি সিম1এ আছে। তাহলে subscription 1 সিলেক্ট করে এরপর Access Point Names এ প্রবেশ করুন। মেনু বাটন প্রেস করে new APN এ ক্লিককরুন।
এবার এভাবে কনফিগার করে নিন;

name: GP-INTEWRNET
APN: gpinternet Proxy: 80.239.242.112
port: 80
MCC:470
MNC:01
এবার এই কনফিগারেশনটি ডিফল্ট হিসেবে সেট করুন।

এখন আপনাকে একটি হান্ডেলার OperaMini Or UC Browser ডাউনলোড করতে হবে।
এটি ইনস্টল করার পুর্বে আপনার মোবাইলে যদি কোনো OperaMini Or UC Browser ইনস্টল করা থাকে তাহলে সেটি আনইনস্টল করে নিন।
এবার মোবাইলের ডাটা অন করে অপেরাটি ওপেন করুন। OperaMini Or UC Browser ওপেন করলে একটি হ্যান্ডেলার মেনু দেখতে পাবেন।এখান থেকে proxy type এ HTTP সিলেক্ট করুন। proxy Server বক্সে টাইপ করুন bd.dooplays.comএবার save প্রেস করুন। আপনি যদি সবকিছু ঠিকমতো করতে পারেন তাহলে অপেরমিনিটি ইনস্টল হবে।
ভালো স্পীড পেতে অবশ্যই যেকোনো একটি প্যাকেজ কিনে নিবেন। UC Browser এর জন্য FrontQuery ব্যবহার করতে হবে ভাল ডাউনলোডের জন্য।
Use java cgi link here.
bd.dooplays.com/nph-proxy.cgi/OA/http/
Don’t use http or host for UCBrowser ,Only FrontQuery

এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড

এন্ড্রয়েড হচ্ছে জনপ্রিয় একটি মোবাইলের OS বা Operating system । নীচে এই এন্ড্রয়েডের কয়েকটি চিটকোড দিলাম । আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে ।
১. আপনার মোবাইলের সকল তথ্য জানতে —- *#*#4636#*#* ( Displays Phone Information, Battery Information, Battery History& Usage Statistics ). 
01 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড


২. ফ্যাক্টোরী ডেটা রিসেট করার জন্য (For Factory DATA Reset) —- *#*#7780#*#* নোটঃ এটি সিলেক্ট করলে আপনার সকল ইন্সটল করা সফট চলে যাবে এবং সেই সাথে চলে যাবে মেমরী কার্ডের ডেটা (screenshot)
02 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড



৩.  এন্ড্রয়েড ডিভাইস ফরম্যাট করতে —- *2767*3855# নোটঃ মনে রাখবেন এই কোড দেয়ার সাথে সাথে আপনার মোবাইল ফরম্যাট হয়ে যাবে এবং এই ফরম্যাটং বন্ধ করার কোন পথ নাই। তাই ভেবে চিন্তে ব্যাবহার করবেন। খেয়াল করবেন স্ক্রিনশটে কোড এর শেষে  * দেয়া আছে ওখানে  # হবে। রিস্ক না নিয়ে স্ক্রিনশট নেয়ার জন্য আমি * ব্যবহার করেছি।
03 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড



৪. ফোন ক্যামেরা আপডেট —- *#*#34971539#*#* নোটঃ ( Update camera firmware in image, Update camera firmware in SD card, Displays camera firmware version, Getfirmware update count )
04 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড



৫. সার্ভিস মুড এ যাবার জন্য (To use phone in Service Mode) —- *#*#197328640#*#*
05 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড



৬. ফাইলের ব্যাকআপ নিতে —- *#*#273283*255* ­663282*#*#*
06 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড



৭. বিভিন্ন টেস্ট কোডঃ   এলসিডি (LCD) টেস্ট —- *#*#0*#*#*
07-01 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড

র‍্যাম (RAM) এর ভার্সন (version) —- *#*#3264#*#*
07-02 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড

টাচ্‌স্ক্রিন এর ভার্সন —- *#*#2663#*#*
07-03 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড

ভাইব্রেসন ও ব্যাকলাইট টেস্ট (Vibration and Backlight Test) —- *#*#0842#*#*
07-04 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড

টাচ্‌স্ক্রিন টেস্ট —- *#*#2664#*#*
07-05 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড

সেন্সর (Sensor) টেস্ট —- *#*#0588#*#*
07-06 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড



৮. ফার্মওয়্যার (Firmware) ভার্সন ও ইনফরমেশন এর জন্য —-
*#*#4986*265046 ­8#*#* ( PDA, Phone, H/W, RFCallDate )
*#*#2222#*#* ( FTA HW Version )
*#*#44336#*#* ( PDA, Phone, CSC, Build Time, Change List Number )
08 এন্ড্রয়েডের সিক্রেট কোড বা চিটকোড

Wednesday, February 20, 2019

এবার আপনার কম্পিউটার থেকে মোবাইল নিয়ন্ত্রন করুন!!!!!

MY MOBILIOR FOR ANDROID >

MY MOBILIOR হল একটি ডেস্কটপ অ্যাপ যার মাধ্যমে আপনি আপনার অ্যান ড্রয়েড ডিভাইস নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন ইউএসবি কেবল বা ওয়াইফাই এর মাধ্যমে। আপনি আপনার পিসি থেকে ভিডিও বা ছবি তুলতে পারবেন। আপনার ডিভাইস কে কি বোর্ড এবং মাউস দিয়ে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
MY MOBILIOR এর সুবিধা সমূহ

  • > আপনার পিসি থেকেই ছবি তুলতে পারবেন।
  • > যে কোন ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবেন।
  • > মোবাইল ও পিসিতে একসাথে কপি পেস্ট করতে পারবেন ।
  • >অ্যান  ড্রয়েড ২.২ বা পরবর্তী ভার্সন সমর্থিত
Download Link

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিকান এবার আপনার কম্পিউটার থেকে মোবাইল নিয়ন্ত্রন করুন!!!!!!
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিকান

Tuesday, February 12, 2019

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মত প্যাটার্ন লক এবার কম্পিউটারেও

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন লক এর সাথে সবাই পরিচিত। সিকিউরিটি সিস্টেমে প্যাটার্ন লক অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে কেন শুধু অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনেই প্যাটার্ন লক সীমাবদ্ধ থাকবে? ব্লগার মারুফ আপনাদের জন্য নিয়ে এলো এবার উইন্ডোজ প্যাটার্ন লক। কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিচ্ছু নেই। যা শুনছেন সবই সত্যি। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের মত এবার আপনার কম্পিউটারেও করুন প্যাটার্ন লক মাত্র ৮০০ কেবি সফটওয়্যার দিয়ে ! আর স্বাদ নিন অ্যান্ড্রয়েড প্যাটার্ন লক কম্পিউটারে !
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মত প্যাটার্ন লক এবার কম্পিউটারেও
Unlimited Web Hosting
প্রথমে ডাউনলোড করে নিন Eusing Maze Lockসফটওয়্যারটি মাত্র ৮০০ কেবি!
ডাউনলোড হয়ে গেলে সেটাপ দিন সাধারণ সফটওয়্যারের মতই।
ব্যাস, কম্পিউটারে প্যাটার্ন লক দেয়ার জন্য সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
সফটওয়্যার সেটাপ দেয়া হল। এবার ভাবছেন প্যাটার্ন করে দিবেন কিভাবে? হুম, এতদূর যখন বলেছি। তখন বাকি টুকুও বলছি। এবার শুনুন প্যাটার্ন লক করবেন কিভাবে?
উইন্ডোজ সিস্টেম ট্রে -তে থাকা এই সফটওয়্যার আইকনে ডান বাটন ক্লিক করে কনফিগার অপশন ক্লিক করে আপনি নতুন প্যাটার্ন লক দিতে পারবেন, আবার পুরাতন প্যাটার্ন লক বদলাতে পারবেন এবং এছাড়াও সব বিষয়ে সেটিংস করতে পারবেন। সময়ের অভাবে বিসস্তারিত বর্ণনা করতে পারলাম না। তবে স্ক্রিনশট দিয়ে দিলাম। আশা রাখছি, আপনি সহজেই এই সেটিংস গুলো করে নিতে পারবেন।
এবার ভাবছেন, প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে কিভাবে ঠিক করবেন? হুম, সমস্যা যত সমাধানও তত। প্যাটার্ন ভুলে যাবার সম্ভাবনা থাকলে আপনি Backup অপশনটি ব্যবহার করে এর ছবিও কম্পিউটারের কোন গোপন ফোল্ডারে রেখে দিতে পারেন।

1. How to use the default unlock pattern
 
Unlock your computer by the following steps:

1. Mouse down at the start point (Do not release the mouse button)
2. Mouse move to draw the unlock pattern
3. Mouse up at the end point to confirm
2. Hotkey
a. Win + A : for quick locking computer
b. Win + C : for quick opening configuration window
c. Escape : for canceling incorrect unlock pattern
d. Enter : for showing/hiding unlock pattern window
3. How to lock your computer
a. Run Eusing Maze Lock application firstly. Then you can use hotkey (Win + A) to lock computer quickly.
b. Or left-click the Eusing Maze Lock icon in the system tray to lock.
c. Or right-click Eusing Maze Lock icon in the system tray. Then select "Lock Computer" item in popup menu.
 
4. How to reset the unlock pattern
5. I forgot my unlock pattern
a. If you did not enable auto-lock at Windows startup. You can reset to the default pattern by reinstalling Eusing Maze Lock.
b. You can press F8 between system boot and enter the safe mode. Then reinstall the software to reset the default unlock pattern.
6. My unlock pattern window is disappeared. How to get it back?
a. You can double-click on the background image to get it back.
b. Or press 'Enter' key once. Unlock pattern window will be appeared. Remind that press 'Enter' key only once. If you pressed twice, unlock pattern window will be disappeared again.
7. What is the unlock mode?
Eusing Maze Lock  has three unlock modes.

   Our other products:   
   Eusing Cleaner - System tools like registry cleaner, disk cleaner, and internet track eraser.
   Eusing Free Registry Cleaner - A free registry repair software to safely scan and fix registry problems.
   Free CD to MP3 Converter - A free CD ripper to rip audio CD and convert to MP3, Wav, Ogg or Wma format.
   Free IP Scanner - A very fast IP scanner and port scanner.
   Free IP Switcher - Switch preconfigured network settings with a single click and without reboot.
   Our more products

এবার আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করুন!

পনার Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে । Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ফোনে Tethering System দেওয়া থাকে । কিংবা আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন , এই বিষয়ে আপনারা জানেন । কিন্তু আপনি যখন ফ্রি ইন্টারনেট এর ক্ষেত্রে Tethering System বা বিভিন্ন সফটওয়্যার যেমন PDA NET ব্যবহার করেন তখন এটি ফ্রি নেটের পদ্ধতির সাথে কাজ করে না। এই অবস্থায় আপনি কি করবেন ।
এক্ষেত্রে আপনি Tethering System ব্যবহার করবেন না , এক্ষেত্রে আপনি Dial up পদ্ধতি ব্যবহার
করবেন । আসুন দেখা যাক কিভাবে আপনি একটি Dial up কানেকশন তৈরি করবেন এবং এর সাহায্যে
আপনার Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার / নেট কানেক্ট করবেন ।
এবার আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করুন!
১। প্রথমত আপনার পিসিতে ফোনের USB DRIVER ইন্সটল দিন । USBDRIVER কোথায় পাবেন ?
আপনি যখন ফোন ক্রয় করেছিলেন তখন সাথে যদি কোন CD পেয়ে থাকেন , তাহলে সেই CD দেখুন ।
অথবা গুগলে খোঁজ করুন । কিংবা সরাসরি ফোন কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন । (USB DRIVER
হতে হবে ঠিক আপনার ফোন কোম্পানির জন্য , যেমন আপনি যদি Samsung ব্যবহার করেন তাহলে
আপনাকে Samsung Phone USB DRIVER install দিতে হবে )
২। Dial up Connection তৈরি করার জন্য নিচের ধাপগুলো ফলো করুন ।
Settings-Control Panel-Network
Connections-Create New network
connections-next-
Connect to the internet – Set up my
connection manually – connect using a
dial up modem – ISP name এ যেকোন নাম দিন , যেমন-
Grameenphone , – Phone no এর ঘরে দিন *99# – next- finish ( এখানে *99# / *99*1#/ *99*2#/ *99*3# ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন , মূলত Dial up Connection কে আলাদা করার জন্য
*99# এর পরে 1 ,2 , 3 নম্বর ব্যবহার করা হয় )
৩। APN সেটিং করবেন যেভাবে । Settings-Control Panel-Phone and modem options এ Country- Bangladesh এবং Area Code – 1000 দিন । আবার , Settings-Control Panel-
Phone and modem options এ যান । Modem এ ক্লিক করুন । Grameenphone সিলেক্ট করুন । Properties এ যান । Advanced এ ক্লিক করুন । Extra initialization command এ
নিচের মত লিখুন –AT +CGDCONT=1,”IP”,”gpwap” এখানে APN- gpwap , এখন থেকে APN
পরিবর্তন করতে চাইলে শুধু gpwap এর জায়গায় আপনার কাঙ্ক্ষিত APN লিখুন ।
৪। এবার control panel – network connections থেকে Dial upConnection, যার নাম দিয়েছিলেন
Grameenphone , সেটা কানেক্ট করুন… ।

জাল টাকা চিনিয়ে দেবে স্মার্টফোনের অ্যাপ!

জাল টাকা চেনা বেশ মুশকিলের ব্যাপার। কেনাকাটা কিংবা ব্যাংক লেনদেনেও কখন যে জাল টাকা ঢুকে যায় বোঝা দুষ্কর। তবে এখন থেকে স্মার্টফোনের অ্যাপে জাল টাকা চেনা যাবে!
আসল টাকা শনাক্ত করা বেশ দুষ্কর ব্যাপার। যে কারণে কেনাকাটা হতে শুরু করে লেনদেনের ক্ষেত্রে আমাদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। জাল টাকার চেনার জন্য বিভিন্ন উপায় বাংলাদেশ ব্যাংক জানালেও জালিয়াত চক্র এই বিষয়গুলোও মাথায় রেখে কাজ করে। তাই খুব দক্ষ না হলে সাধারণের পক্ষে জাল টাকা চেনা দায় হয়ে পড়ে।
সামনেই ঈদ। আর ঈদ এলে জালিয়াতি চক্র আরও বেশি সক্রিয় হয়। কারণ ঈদের জন্য লেনদেন ঘটে অনেক বেশি। এই সময়টিতে জাল টাকার প্রভাব একটু বেশিই দেখা যায় বাজারে। তাই এমন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হলে জেনে নিন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আসল ও কোনটা নকল টাকা। সেজন্য আপনার স্মার্টফোনে ব্যবহার করতে পারেন Counterfeit Money Detector অ্যাপ।
এই অ্যাপটিতে আসল টাকার সকল প্রকার বৈশিষ্ট্য ছবিসহ দেওয়া রয়েছে। যা থেকে আপনি সহজেই নকল টাকা এবং আসল টাকার পার্থক্য বুঝতে পারবেন। যে কারণে কেও নকল টাকা দিলে অ্যাপটিতে ধরা পড়ে যাবে খুব সহজে। তাছাড়া এটি খুব জটিলও নয়। এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে আপনার স্মার্টফোনটি ২.৩ বা এর উপরের ভার্সন হলেই যথেষ্ট। অ্যাপটি গুগল প্লে হতে আপনি নামিয়ে নিতে পারবেন। অ্যাপটির সাইজেও খুব ছোট, মাত্র ৪.১ এমবি।
জাল টাকা চিনিয়ে দেবে স্মার্টফোনের অ্যাপ!
যেভাবে জাল টাকা পরীক্ষা করবেনঃ
অ্যাপটি চালুর করার পর একটি বাটন দেখা যাবে। ওই বাটনে ক্লিক করে মোবাইলের ক্যামেরা চালু করুন। সন্দেহজনক টাকাটিকে সমতলভাবে বিছিয়ে নিয়ে এর সম্পূর্ণ ছবি তুলুন।
এরপর ডান পাশে পাবেন একটি আইকন, সেখানে ক্লিক করুন। এরপর টাকাটি স্ক্যাণ হবে। এরপর আপনাকে কিছুই করতে হবে না, অ্যাপটি জানিয়ে দেবে টাকাটি আসল নাকি নকল।
তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে ছবি তোলার সময় টাকার সম্পূর্ণ অংশ যেনো সঠিকভাবে আসে। কেনোনা সম্পূর্ণ ছবি না আসলে আসল টাকাটিও নকল দেখাবে। তাই ছবি তোলার সময় যতোটা কাছে সম্ভব এবং অবশ্যই টাকার সম্পূর্ণ অংশের ছবি তুলতে হবে। এভাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে আসল টাকা চিনুন।..

জানুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নিজের ব্যক্তিগত ছবি ভিডিও লুকানোর উপায়!

অনেক সময় দেখা যায় কিছু ব্যক্তিগত ছবি থাকে যা হয়তো আমরা সবাইকে দেখাতে চাইনা। তাই এসব ছবি লুকিয়ে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। কেননা যে কেউ আপনার ফোন হাতে নিয়ে আপনার ব্যক্তিগত ছবি দেখে ফেলুক এটা নিশ্চয়ই আপনি চাইবেন না।
যাই হোক আপনার যদি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকে তবে এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারবেন keep safe নামের ছোট একটা অ্যাপ ব্যবহার করে। আপনি চাইলে ছবির পাশাপাশি ভিডিও ও হাইড করতে পারবেন।
এছাড়া অন্যান্য যেসব অ্যাপ রয়েছে ফোল্ডার লক করার জন্য তার চাইতে এই অ্যাপের সুবিধা হল এই অ্যাপের সাহায্যে সম্পূর্ণ ফোল্ডার লকের প্রয়োজন হয়না বরং আপনার পছন্দমত ছবি বাছাই করে কেবল ঐ ছবিগুলো লুকিয়ে ফেলতে পারবেন ফলে সম্পূর্ণ ছবির ফোল্ডার লক করার প্রয়োজন হয়না।
চলুন দেখে নিই কি করে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে keep safe অ্যাপের সাহায্যে ছবি হাইড করবেন:
১) প্রথমেই গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে keep safe লিখে সার্চ দিন দেখবেন অ্যাপটি খুঁজে পাবেন এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
জানুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নিজের ব্যক্তিগত ছবি ভিডিও লুকানোর উপায়!
২) অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন।
৩) এখন এটি ওপেন করার সাথে সাথে আপনাকে একটা পিন নাম্বার দিতে বলবে। এখন আপনার পছন্দ মত যেকোনো ৫ ডিজিট টাইপ করুন যা আপনাকে পুনরায় প্রবেশ করতে বলা হবে।
জানুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নিজের ব্যক্তিগত ছবি ভিডিও লুকানোর উপায়!
৪) তারপর একটা স্ক্রিন আসবে যেখানে আপনার ইমেইল এড্রেস টাইপ করতে বলা হবে কেননা যদি আপনি আপনার পিন নম্বর ভুলে যান তবে তা ইমেইলের মাধ্যমে রিকভার করতে পারবেন।
জানুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নিজের ব্যক্তিগত ছবি ভিডিও লুকানোর উপায়!
৫) এখন অ্যাপটিতে লগইন করার পর নিচের দিকের ছবি যোগ করার ঘরটিতে ক্লিক করুন দেখবেন আপনার ফোনের যাবতীয় ছবি, ভিডিও এবং স্ক্রিনশট দেখাচ্ছে। এখন সব ছবির মাঝে যেসব ছবি আপনি লুকাতে চাচ্ছেন তা সিলেক্ট করে নিচের হাইড বাটনে চাপুন।
৬) এখন গ্যালারিতে গেলে দেখবেন আপনার লুকানো ছবিগুলো আর দেখাচ্ছেনা।
হাইড করা ছবি পুনরায় ওপেন করার উপায়
১) এখন যদি হাইড করা ছবি পুনরায় ওপেন করতে চান তবে অ্যাপটিতে আপনার পিন নম্বর দিয়ে পুনরায় ওপেন করলে হাইড করা সকল ছবির একটি ফোল্ডার দেখাবে।
২) এখন ফোল্ডার ওপেন করলে ছবির নিচের আপার অ্যারোতে ক্লিক করলে ছবিটি আনহাইড হয়ে যাবে।

জানুন অ্যান্ড্রয়েড রুটিং কি,এর সুবিধা ও অসুবিধা!

খানে আমরা আলোচনা করবো “অ্যান্ড্রয়েড রুট  কি : রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা?” এবং রুটিং অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সুবিধা এবং অসুবিধা সমূহ কি । কেন আপনি রুটিং ফোন ব্যবহার করবেন আর কেনই বা করবেন না । এই সম্পর্কিত আলোচনা থাকবে এখানে ।

অ্যান্ড্রয়েড রুটিং কিঃ   

অ্যান্ড্রয়েড রুট একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্রাহক সম্পূর্ণ ভাবে তার ফোনটি কন্ট্রোল করতে পাড়বে।
আপনি  ডিভাইসটি নিজের ইচ্ছেমত ব্যবহার করতে পারবে ।
রুটিং মানে হচ্ছে স্পেশাল একটি সুবিধা গ্রাহকের জন্য । এটি ফোনের এক রকম সকল প্রোগ্রামকে কন্ট্রোল করে । এটি ফোনের টোটাল উইন্ডজটিকে কন্ট্রোল করে ।

রুট করার পর কি করবেন

রুট করার পর কি করবেন? আপনি আপনার পছন্দের মোড’স, কারনেল, কাস্টম রম ইন্সটল করতে পারবেন।   আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড এর লেটেস্ট ভার্সন ইন্সটল করতে পারবেন  ললিপপ আপডেট  (যেমন অ্যান্ড্রয়েড এর ৬.০.১ মার্শম্যালো)।

রুট করার সুবিধা

আপনি আপনার ফোনের ভাল পারফরমেন্স এর জন্য সিপিএউ এবং জিপিএউ অভারলক করতে পারবেন। রুট করার সুবিধা এর ফলে আপনি যেকোনো ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে আপনার পছন্দমত ফোনটি আপডেট করতে পারবেন ।
আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফ এর জন্য আপনি সিপিইউ অভারলক করে রাখতে পারবেন। এর জন্য আপনি আপনার ফোনের ব্যাকআপ, রেস্টর অথবা বিচ আপ্লিকেশনগুলো আলাদা ভাবে রি-ইন্সটল করে রাখতে পারবেন।
মোট কথা, এর ফলে আপনি আপনার ইচ্ছে মত প্রয়োজনীয় ডিভাইস গুলো ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারবেন ।

জেলব্রেক থেকে রুটিং এর ভিন্নতা

অনেকেই রুটিং এবং জেলব্রেক একই ব্যাপার ভেবে প্রতারিত হন । কিন্তু সত্যিকার অর্থে জেলব্রেক এবং রুটিং দুইটি ভিন্ন ব্যাপার। দুইটির কনসেপ্ট দুই ধরনের ।
জেলব্রেক আসলে অ্যাপেল এর জন্য প্রযোজ্য। এই মডেলের মধ্যে জেলব্রেক অপারেটিং সিস্টেম মডিফাইং করতে পারে (ইনফরসড বাই “লকড বুটলোডার”)।
এটি গ্রাহককে অ-অনুমদিত এপ্লিকেশন সমূহ ব্যবহার করার অনুমতি দিয়ে থাকে । এই সুবিধা  সমূহ কিছু কিছু মডেলের অ্যান্ড্রয়েড এর মধ্যে থাকে । যেমনঃ সনি, আসুস এবং গুগল এই টাইপ এর মডেলের অ্যান্ড্রয়েড এর মধ্যে এই সুবিধা টি রয়েছে ।
এদের আর একটি বিশেষ গুন হচ্ছে এই মডেলের অ্যান্ড্রয়েড গুলো তাদের ডিভাইস গুলো আনলক করতে পারে এমনকি স্থানান্তরিত করতে পারে ।

 জানুন অ্যান্ড্রয়েড রুটিং কি,এর সুবিধা ও অসুবিধা!

রুট করার পর কি করবেন: রুট করার পর করনীয়

আপনার ফোনের কারেন্ট রমের একটি ব্যাকআপ তৈরি করা। ব্যাকআপ নেওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে যেকোন একটি কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করা।
সংক্ষেপে রিকভারি হচ্ছে ফোনের একটা বুট-মোড যেখান থেকে আপনি ফোনের পুরো পার্টিশন ফরম্যাট করতে পারবেন
অথবা
মেমোরি কার্ডে থাকা update.zip ফাইল দিয়ে ফোন আপডেট করতে পারবেন।

রুটিং এর সুবিধা কি ? কি কারনে রুটিং এর ব্যবহার ব্যাপক

১। লুকানো বৈশিষ্ট্য এবং ইন্সটল ইঙ্কম্পেটিবলঃ আপনি ইচ্ছে করলে আপনার ফোনের বেমানান অ্যাপস গুলো আনলক করতে পারবেন ।
২। এন্ড্রএড ডিভাইস এর মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হ্যাক করাঃ আসলেই এটি সত্যি।  আপনি চাইলেই আপনার অ্যান্ড্রয়েডটি দিয়ে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের ডিভাইস টি হ্যাক করতে পারবেন। এমন কি আপনি চাইলে ওই নেটওয়ার্কের কানেক্ট থাকা যেকোনো ইউসার কে আপনি নেটওয়ার্কের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন ।
“ওয়াই-ফাই” একটি অ্যাপ্লিকেশান নেটওয়ার্কের হ্যাকিং এর জন্য ।
৩। আপনার মোবাইলের প্রসেসর অভারলক করাঃ আপনি আপনার মোবাইলের প্রসেসর এর গতি বাড়াতে পারবেন। কিন্তু এটি প্রসেসর এর জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ । তাই এর আগে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে রাখা উচিৎ ।
৪। ব্লক এডস ফ্রম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসঃ আমাদের অনেকের ফোনেই অনেক অবাঞ্চিত এডস আসতে থাকে। যা কিছু কিছু গ্রাহকের কাছে খুবি বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায়। এ সমস্ত বিরক্তি থেকে রুট অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে দেবে মুক্তি ।
আপনি রুট করে এডস ব্লক দিয়ে রাখলে আপনি পাবেন এই অবাঞ্চিত ঝামেলা থেকে মুক্তি। এই ব্যাপারে র‍্যটিং এর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত ব্যাপক ।
৫। আপনার ডিভাইস এর র‍্যাম বৃদ্ধিঃ রুটিং আপনার ডিভাইসটির ডাটার ঘনত্ব বিপর্যয় কমিয়ে এর জায়গা বৃদ্ধি করে । রুটিং এর ফলে আপনি এই সুবিধা টি পাবেন আপনার অ্যান্ড্রয়েডটিতে ।
৬। বিভিন্ন ধরনের রম’স, মুড’স, কারনেলঃ আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন ধরনের রম’স কারনেল এবং মুড’স ইন্সটল করতে পারবেন। অবশ্য এই তা তখনি করতে পারবেন যখন রুটিং ডিভাইস টি ইন্সটল করা থাকবে ।
অ্যান্ড্রয়েড একটি সর্বশ্রেষ্ঠ অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল ডিভাইস হিসেবে এবং সর্বজন নির্ধারিত ।
৭। ব্যাটারির বুস্ট লাইফের জন্য আন্ডারলক সিপিইউঃ আপনি আপনার ফোনটির ব্যাটারির আরও বেশি টেকসই এর জন্য আপনি আপনার সিপিইউটিকে আন্ডারলক করে রাখতে পারবেন ।

রুটিং এর অসুবিধা সমূহ:   

১। ব্রিকিংঃ রুটিং হল একটি ড্রেডেড শব্দ । এটি ইন্সটল থাকলে আপনার  ফোনটিতে কোন বড় সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন না । আপনি যদি এটি কোন ব্যাবসায়িক কাজে ব্যবহার করেন তবে এটি দিয়ে আপনি লাভবান হবেন না ।
এমন কি যদি এটি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হয় তবে এর জন্য আপনাকে জরিমানা দিতে হতে পারে । কোন বড় কাজে বা ব্যাবসায়িক কাজে এর সুফল তেমন নেই ।
২। মোবাইল রুট করলে কি হয় : এটি ব্যবহার এর সাথে সাথে আপনার ফোনের ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাবে কারন এর পর আপনি আর কর্তৃপক্ষকে এই টা দেখাতে পারবেন না । আপনি এই রুটিং বন্ধ করেও যদি ফোনটিকে ওয়ারেন্টিতে পাঠান তাতেও কোন লাভ হবে না ।
কারন, রুট একবার ইন্সটল করা হলে এর পরে আর এর ডিভাইস আগের মত থাকে না ।  তাই এর ব্যবহারের সাথে সাথে আপনার ওয়ারেন্টির কথা ভুলে যেতে হবে।
৩। সিকিউরিটি রিস্কঃ রুটিং ব্যবহারের ফলে আপনার ফোনটি সিকিউরিটি রিস্কে পরে যাবে। কারন রুটিং ইন্সটলের সাথে সাথে আপনার আপনার ডিফল্ট সেটিংস চেঞ্জ হয়ে যাবে ।
তাই এর সিকিউরিটি আগের মত থাকবে না ।
যার ফলে আপনার ফোনটি একটি সিকিউরিটিহীন অবস্থায় পরবে । আর এতে আপনার একটি ফোনের উপর নির্ভর করে অনেক বড় বড় সমস্যা হতে পারে যা আপনি হয়ত কল্পনাও করতে পারবেন না ।
তাই আমাদের উচিত  মোবাইল রুট করলে কি হয় এর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা তৈরি করা। কারন, তা না হলে অজ্ঞতার কারনে অনেক বড় বড় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। যা কি না আপনি ধারনাও করতে পারবেন না।
তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এর সুবিধাও ব্যাপক। যা অন্য কোন অ্যাপ আপনাকে দিতে পারবে না।
অনেক সময় আমাদের ছোট ছোট কিছু ভুলে ঘটে যায় বড় বড় দুর্ঘটনা। আবার অনেক সময় না জানার কারনে অনেক আপডেট অ্যাপ সম্পর্কে ধারনা না পেয়ে আমরা পরে থাকি এনালগ জগতে।
তাই মোবাইল রুট করার পদ্ধতি এর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা থাকাও অত্যন্ত জরুরি ।এখানে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছ । সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই আলোচনা টি শেয়ার করুন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।
Note: আমরা যারা Android ফোন ইউজ করি আমাদের ফোনে তিন ধরনের রম থাকে :
১.স্টক রম
২.কাস্টম রম কাস্টম রম আপনার ফোনে আপডেট দিতে অবশ্যই আপনার ফোন রুটেড হতে হবে।
৩.সাইনোজেন মোড

Thursday, January 31, 2019

জানুন অ্যান্ড্রয়েড রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা

জানুন অ্যান্ড্রয়েড রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা

এখানে আমরা আলোচনা করবো “অ্যান্ড্রয়েড রুট কি : রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা?” এবং রুটিং অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সুবিধা এবং অসুবিধা সমূহ কি । কেন আপনি রুটিং ফোন ব্যবহার করবেন আর কেনই বা করবেন না । এই সম্পর্কিত আলোচনা থাকবে এখানে ।
জানুন  অ্যান্ড্রয়েড রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা
Unlimited Web Hosting
অ্যান্ড্রয়েড রুটিং কিঃ
অ্যান্ড্রয়েড রুট একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্রাহক সম্পূর্ণ ভাবে তার ফোনটি কন্ট্রোল করতে পাড়বে।
আপনি ডিভাইসটি নিজের ইচ্ছেমত ব্যবহার করতে পারবে ।
রুটিং মানে হচ্ছে স্পেশাল একটি সুবিধা গ্রাহকের জন্য । এটি ফোনের এক রকম সকল প্রোগ্রামকে কন্ট্রোল করে । এটি ফোনের টোটাল উইন্ডজটিকে কন্ট্রোল করে ।
রুট করার পর কি করবেন
রুট করার পর কি করবেন? আপনি আপনার পছন্দের মোড’স, কারনেল, কাস্টম রম ইন্সটল করতে পারবেন। আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড এর লেটেস্ট ভার্সন ইন্সটল করতে পারবেন ললিপপ আপডেট (যেমন অ্যান্ড্রয়েড এর ৬.০.১ মার্শম্যালো)।
রুটিং এর সুবিধা কি ? কি কারনে রুটিং এর ব্যবহার ব্যাপক
১। লুকানো বৈশিষ্ট্য এবং ইন্সটল ইঙ্কম্পেটিবলঃ আপনি ইচ্ছে করলে আপনার ফোনের বেমানান অ্যাপস গুলো আনলক করতে পারবেন ।
২। এন্ড্রএড ডিভাইস এর মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হ্যাক করাঃ আসলেই এটি সত্যি। আপনি চাইলেই আপনার অ্যান্ড্রয়েডটি দিয়ে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের ডিভাইস টি হ্যাক করতে পারবেন। এমন কি আপনি চাইলে ওই নেটওয়ার্কের কানেক্ট থাকা যেকোনো ইউসার কে আপনি নেটওয়ার্কের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন ।
“ওয়াই-ফাই” একটি অ্যাপ্লিকেশান নেটওয়ার্কের হ্যাকিং এর জন্য ।
৩। আপনার মোবাইলের প্রসেসর অভারলক করাঃ আপনি আপনার মোবাইলের প্রসেসর এর গতি বাড়াতে পারবেন। কিন্তু এটি প্রসেসর এর জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ । তাই এর আগে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে রাখা উচিৎ ।
৪। ব্লক এডস ফ্রম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসঃ আমাদের অনেকের ফোনেই অনেক অবাঞ্চিত এডস আসতে থাকে। যা কিছু কিছু গ্রাহকের কাছে খুবি বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায়। এ সমস্ত বিরক্তি থেকে রুট অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে দেবে মুক্তি ।
আপনি রুট করে এডস ব্লক দিয়ে রাখলে আপনি পাবেন এই অবাঞ্চিত ঝামেলা থেকে মুক্তি। এই ব্যাপারে র‍্যটিং এর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত ব্যাপক ।
৫। আপনার ডিভাইস এর র‍্যাম বৃদ্ধিঃ রুটিং আপনার ডিভাইসটির ডাটার ঘনত্ব বিপর্যয় কমিয়ে এর জায়গা বৃদ্ধি করে । রুটিং এর ফলে আপনি এই সুবিধা টি পাবেন আপনার অ্যান্ড্রয়েডটিতে ।
৬। বিভিন্ন ধরনের রম’স, মুড’স, কারনেলঃ আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন ধরনের রম’স কারনেল এবং মুড’স ইন্সটল করতে পারবেন। অবশ্য এই তা তখনি করতে পারবেন যখন রুটিং ডিভাইস টি ইন্সটল করা থাকবে ।
অ্যান্ড্রয়েড একটি সর্বশ্রেষ্ঠ অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল ডিভাইস হিসেবে এবং সর্বজন নির্ধারিত ।
৭। ব্যাটারির বুস্ট লাইফের জন্য আন্ডারলক সিপিইউঃ আপনি আপনার ফোনটির ব্যাটারির আরও বেশি টেকসই এর জন্য আপনি আপনার সিপিইউটিকে আন্ডারলক করে রাখতে পারবেন ।
রুটিং এর অসুবিধা সমূহ:
১। ব্রিকিংঃ রুটিং হল একটি ড্রেডেড শব্দ । এটি ইন্সটল থাকলে আপনার ফোনটিতে কোন বড় সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন না । আপনি যদি এটি কোন ব্যাবসায়িক কাজে ব্যবহার করেন তবে এটি দিয়ে আপনি লাভবান হবেন না ।
এমন কি যদি এটি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হয় তবে এর জন্য আপনাকে জরিমানা দিতে হতে পারে । কোন বড় কাজে বা ব্যাবসায়িক কাজে এর সুফল তেমন নেই ।
২। মোবাইল রুট করলে কি হয় : এটি ব্যবহার এর সাথে সাথে আপনার ফোনের ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাবে কারন এর পর আপনি আর কর্তৃপক্ষকে এই টা দেখাতে পারবেন না । আপনি এই রুটিং বন্ধ করেও যদি ফোনটিকে ওয়ারেন্টিতে পাঠান তাতেও কোন লাভ হবে না ।
কারন, রুট একবার ইন্সটল করা হলে এর পরে আর এর ডিভাইস আগের মত থাকে না । তাই এর ব্যবহারের সাথে সাথে আপনার ওয়ারেন্টির কথা ভুলে যেতে হবে।
৩। সিকিউরিটি রিস্কঃ রুটিং ব্যবহারের ফলে আপনার ফোনটি সিকিউরিটি রিস্কে পরে যাবে। কারন রুটিং ইন্সটলের সাথে সাথে আপনার আপনার ডিফল্ট সেটিংস চেঞ্জ হয়ে যাবে ।
তাই এর সিকিউরিটি আগের মত থাকবে না ।
যার ফলে আপনার ফোনটি একটি সিকিউরিটিহীন অবস্থায় পরবে । আর এতে আপনার একটি ফোনের উপর নির্ভর করে অনেক বড় বড় সমস্যা হতে পারে যা আপনি হয়ত কল্পনাও করতে পারবেন না ।
তাই আমাদের উচিত মোবাইল রুট করলে কি হয় এর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা তৈরি করা। কারন, তা না হলে অজ্ঞতার কারনে অনেক বড় বড় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। যা কি না আপনি ধারনাও করতে পারবেন না।
তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এর সুবিধাও ব্যাপক। যা অন্য কোন অ্যাপ আপনাকে দিতে পারবে না।
অনেক সময় আমাদের ছোট ছোট কিছু ভুলে ঘটে যায় বড় বড় দুর্ঘটনা। আবার অনেক সময় না জানার কারনে অনেক আপডেট অ্যাপ সম্পর্কে ধারনা না পেয়ে আমরা পরে থাকি এনালগ জগতে।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচান! জেনে নিন টিপস্


প্রয়োজনের তুলনায় ফোনের ইন্টার্নাল স্টোরেজ যেন সবসময়ই কম মনে হয়। তবে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অনেকটা জায়গা বাঁচিয়ে নেয়া যায়। চলুন জেনে নেই সেই উপায়গুলো সম্পর্কে।
১. ক্যাশে ও ডেটা ক্লিয়ার
ফোনের অ্যাপ ম্যানেজারে যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপগুলো সিলেক্ট করুন। তারপর তার ডেটা ও ক্যাশে ডিলিট করুন। এতে পুরোনো অ্যাপ পছন্দ মুছে গেলেও একসঙ্গে অনেক জিবি বেঁচে যায়। তবে মনে রাখবেন, অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাশে বাড়বে এবং আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে ডেটা সাইজ বাড়বে।
Unlimited Web Hosting
২. এসডি কার্ডে অ্যাপ ইনস্টল 
সবসময় স্মার্টফোনের ওএস-এর উপর চাপ কেন দেবেন? কিছু অ্যাপ মাইক্রো এসডি কার্ডে পাঠিয়ে দিন। এতে জায়গাও বাঁচবে এবং স্মার্টফোনটি দ্রুত কাজও করবে।
৩. পুরোনো ডাউনলোড ডিলিট
অনেক সময়ই আমরা বহু ফাইল ডাউনলোডের পর তা ডিলিট করতে ভুলে যায়। এর ফলে ওই ফাইলগুলো জায়গা নিয়ে বসে থাকে। তাই একদিন সময় করে ডাউনলোডস ফোল্ডারে যান। পুরোনো অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সিলেক্ট করে দিন ডিলিট টিপে। দেখবেন, অনেকটা হালকা হবে ফোনটি!
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচান! জেনে নিন টিপস্
৪. গুগল ফটোস
সাধারণ গ্যালারি স্টোরেজ না বাড়িয়ে গুগল ফটোসে ফটো ব্যাকআপ করাই যেতে পারে। এর মাধ্যমে যখন ইচ্ছা ফটো দেখতেও পারবেন পাশাপাশি এডিটও করতে পারবেন। বাড়তি পাওনা গ্যালারি স্টোরেজ কমবে।
৫. লাইট অ্যাপ ব্যবহার করুন
ফেসবুক, মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপগুলোর কিন্তু লাইট ভার্সন রয়েছে। এর ফলে আপনার স্মার্টফোনের স্টোরেজ বাড়ে এবং ওএস-ও ফাস্ট কাজ করে।

Wednesday, January 30, 2019

এবার আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করুন!

আপনার Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে । Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ফোনে Tethering System দেওয়া থাকে । কিংবা আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন , এই বিষয়ে আপনারা জানেন । কিন্তু আপনি যখন ফ্রি ইন্টারনেট এর ক্ষেত্রে Tethering System বা বিভিন্ন সফটওয়্যার যেমন PDA NET ব্যবহার করেন তখন এটি ফ্রি নেটের পদ্ধতির সাথে কাজ করে না। এই অবস্থায় আপনি কি করবেন ।
এক্ষেত্রে আপনি Tethering System ব্যবহার করবেন না , এক্ষেত্রে আপনি Dial up পদ্ধতি ব্যবহার
Unlimited Web Hosting
করবেন । আসুন দেখা যাক কিভাবে আপনি একটি Dial up কানেকশন তৈরি করবেন এবং এর সাহায্যে
আপনার Android Phone কে মডেম হিসেবে ব্যবহার / নেট কানেক্ট করবেন ।
এবার আপনার ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করুন!
১। প্রথমত আপনার পিসিতে ফোনের USB DRIVER ইন্সটল দিন । USBDRIVER কোথায় পাবেন ?
আপনি যখন ফোন ক্রয় করেছিলেন তখন সাথে যদি কোন CD পেয়ে থাকেন , তাহলে সেই CD দেখুন ।
অথবা গুগলে খোঁজ করুন । কিংবা সরাসরি ফোন কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন । (USB DRIVER
হতে হবে ঠিক আপনার ফোন কোম্পানির জন্য , যেমন আপনি যদি Samsung ব্যবহার করেন তাহলে
আপনাকে Samsung Phone USB DRIVER install দিতে হবে )
২। Dial up Connection তৈরি করার জন্য নিচের ধাপগুলো ফলো করুন ।
Settings-Control Panel-Network
Connections-Create New network
connections-next-
Connect to the internet – Set up my
connection manually – connect using a
dial up modem – ISP name এ যেকোন নাম দিন , যেমন-
Grameenphone , – Phone no এর ঘরে দিন *99# – next- finish ( এখানে *99# / *99*1#/ *99*2#/ *99*3# ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন , মূলত Dial up Connection কে আলাদা করার জন্য
*99# এর পরে 1 ,2 , 3 নম্বর ব্যবহার করা হয় )
৩। APN সেটিং করবেন যেভাবে । Settings-Control Panel-Phone and modem options এ Country- Bangladesh এবং Area Code – 1000 দিন । আবার , Settings-Control Panel-
Phone and modem options এ যান । Modem এ ক্লিক করুন । Grameenphone সিলেক্ট করুন । Properties এ যান । Advanced এ ক্লিক করুন । Extra initialization command এ
নিচের মত লিখুন –AT +CGDCONT=1,”IP”,”gpwap” এখানে APN- gpwap , এখন থেকে APN
পরিবর্তন করতে চাইলে শুধু gpwap এর জায়গায় আপনার কাঙ্ক্ষিত APN লিখুন ।
৪। এবার control panel – network connections থেকে Dial upConnection, যার নাম দিয়েছিলেন
Grameenphone , সেটা কানেক্ট করুন… ।

এন্ড্রয়েড ব্যবহার করেন? জানুন ১২ টি সুবিধাজনক কৌশল!

এন্দ্রয়েড ব্যবহারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দিক হচ্ছে সহযেই এবং সল্প সময়ে কাজ করা যায়। আর এন্ড্রয়েড ব্যবহারের জন্য অনেকেই সুবিধা জনক কিছু কৌশল ব্যবহার করে থাকে।আর আজ আপনাদের সাথে এন্ড্রয়েড ব্যবহারের ১২ টি সুবিধাজনক কৌশল নিয়ে আলোচনা কর।
Android_App_7 এন্ড্রয়েড ব্যবহার করেন? জানুন ১২ টি সুবিধাজনক কৌশল!
Unlimited Web Hosting
১. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একে নিজের ইচ্ছেমতো সাজাতে পারবেন। এ ছাড়া অসংখ্য অ্যাপের ব্যবহারে ব্যাপক সুবিধা ভোগ করা যায়। আবার লঞ্চার ব্যবহারের মাধ্যমে মোবাইলের অ্যাপগুলোকে সাজিয়ে রাখতে পারবেন।
২. গুগলের পুরো সুবিধা মিলবে কেবলমাত্র অ্যান্ড্রয়েডে। জিমেইল, ক্যালেন্ডার, ফটোস এবং অন্যান্য দারুণ কিছু অ্যাপ পাবেন। আরো আছে গুগলের ভয়েস অ্যাসিস্টেন্ট। এ ছাড়া সর্বসাম্প্রতিক সংস্করণ মার্শমেলোতে গুগল নাউ নামের লঞ্চার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মার্শমেলোর সঙ্গে গুগল সার্চ অপশন পাবেন। সেখান থেকে যখন তখন সার্চ দেওয়া সম্ভব।
৩. অ্যাপগুলোর সঙ্গে আপনি কি শেয়ার করছেন তা সহজে জানা যায়। সেটিং মেনুতে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ম্যানেজারে গিয়ে নির্দিষ্ট অ্যাপের ক্ষেত্রে ‘পারমিশন’-এর তালিকা পাবেন। নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে পারমিশনের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবেন আপনি।
৪.আরেকটি মজার বিষয় হলো, বিভিন্ন অ্যাপের বিশেষ কিছু ফাংশন অটোমেটিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। যে ব্রাউজার ভালো লাগে বা যে পিডিএফ রিডারটি পছন্দ তা এমনিতেই চলে আসবে। ফোনটি আপনাকে ডিফল্ট অ্যাপ সেটআপ করে নিতে বলবে। করে নিলেও পরে সেটিংস থেকে ‘ক্লিয়ার ডিফল্টস’ করে নিতে পারবেন।
৫. মোবাইলের ডেটা ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। সেটিংস মেনুতে ডেটা ইউজেস নামে অপশন পাবেন। অ্যান্ড্রয়েডে আছে বিল্ট-ইন ডেটা ট্র্যাকার।
৬. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারবেন। অনেক অ্যাপ রয়েছে যা ব্যবহার করা হয় না। এদের কিছু আবার মুছেও ফেলা যায় না। তবে এদের ডিসঅ্যাবল করা যায়।
৭. ব্যাটারির শক্তি আধুনিক স্মার্টফোনের বড় সমস্যা। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ব্যাটারির শক্তি বাঁচানোর মোড দেওয়া হয়েছে।
৮. যেকোনো বিষয়কে আরো উন্নততর ও দ্রুত ব্যবহার করতে নিজেই একজন ডেভেলপার হয়ে উঠতে পারেন। সেটিংসয়-এ ‘অ্যাবাউট দিস ফোন’ অপশন থেকে ডেভেলপার হয়ে যেতে পারেন। সেখানে পাবেন বিল্ড নম্বর। সেখানে আই অ্যাম কমপ্লিটলি সিরিয়াস অ্যাবাউট দিস অংশে সাত বার চাপ দিলেই ডেভেলপার বনে যাবেন।
৯. সেটিংস-এ যেতে পারবেন খুব দ্রুত। নোটিফিকেশন মেনু থেকে দ্রুত সেটিংস পেয়ে যাবেন। অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে কুইক সেটিংস মেনু পাবেন অনয়াসে।
১০. একযোগে একাধিক কাজ কর
তে পারবেন। একসঙ্গে দুটো অ্যাপ্লিকেশন চলবে এতে। সম্প্রতি যে অ্যাপগুলো নিয়ে কাজ করেছেন তা একটি হোম বাটনে থাকে। সেখানে চাপ দিয়ে ধরে রাখুন। বিচ্ছিন্ন স্ক্রিন আকারে অ্যাপগুলো চলে আসবে। সেখান থেকে বাছাই করে নিতে পারবেন।
১১. গেসচার সার্চ একটি দারুণ পদ্ধতি। আঙুলের আঁকিবুকিতে নানা কমান্ড দিতে পারবেন। আপনি স্মার্টফোনে প্রায় সবাই খুঁজে পাবেন। শুধু নির্দিষ্ট নির্দেশের জন্যে গেসচার ঠিক করে নিন।
১২. দ্রুত ক্যামেরায় ঢুকতে পারবেন। অনেক মডেলের স্মার্টফোনে আঙুলের এক স্পর্শেই ক্যামেরা চালু অবস্থায় পাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের লক স্ক্রিনেই ক্যামেরার শর্টকাট রয়েছে।