অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ৫টি এ্যাপ্লিকেশন
এন্ড্রয়েড ফোনের জনপ্রিয়তার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। বাজারে আসার পর
থেকে আর এন্ড্রয়েডকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে এন্ড্রয়েড মার্কেটে
১০ লাখের বেশি এপ্লিকেশন রয়েছে। এর মধ্যে ২২ ভাগই নিম্নমানের আর
তাই এপ্লিকেশন ইন্সটল করার
ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।
সাধারনত নতুন এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ফোন কেনার পর কোন কোন এপ ইন্সটল
করবেন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। তার তাই খুবই গুরুত্বপূর্ন ৫টি
এন্ড্রয়েড এপ নিয়েই থাকছে এই পোস্ট।
পিসির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় নিরাপত্তার সফটওয়্যার হচ্ছে avast.
এন্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটার চালানো এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করা যেমন
বিপজ্জনক, তেমনি স্মার্টফোনের নিরাপত্তার জন্যও এন্টিভাইরাস প্রয়োজন। আর এই
কাজটি যথাযথভাবে করবে এভাস্ট মোবাইল সিকিউরিটি এন্ড এন্টিভাইরাস।
এডভান্সড ব্যবহারকারীদের অনেক সময় ফাইল ম্যানেজার প্রয়োজন হয়। অসংখ্য
ফাইল ম্যানেজার এপ্লিকেশনের ভিড়ে এই এপ্লিকেশনটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে
বেশি সুবিধা প্রদান করে।
ফ্রী ভিওআইপি এবং ম্যাসেজিং এর সুবিধা প্রদান করে ভাইবার।
মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম সাপোর্টেড এই এপ্লিকেশনটি বাংলাদেশে যথেস্ট জনপ্রিয় এবং
নিশ্চিতভাবেই আপনার অনেক বন্ধুবান্ধব এটি ইতোমধ্যেই ব্যবহার করছেন।
আর দশটি সাধারন লকস্ক্রীন এপস এর চাইতে বেশ কিছু বেশি সুবিধা প্রদান করে
এই এপ্লিকেশনটি। যেমন, ফোন চুরি হয়ে গেলে চোর সাধারনত সাথে সাথেই ফোনটি
বন্ধ করে ফেলে। তবে এই এপ্লিকেশনটি ইন্সটল করা থাকলে আপনার ফোন চুরি হয়ে
গেলেও চোর চাইলেও সাথে সাথে ফোনটি বন্ধ করতে পারবে না। ফলে চোর কাছাকাছি
থাকলে ফোনে কল দিয়ে তাকে ধরার একটি সুযোগ থাকে।
ট্রিগার একটি টাস্ক অটোমেটর। একটি কাজ করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে
থাকা অপ্রয়োজনীয় আরেকটি কাজ বন্ধ করে দিতে সাহায্য করে এটি। যেমন ওয়াইফাই
চালানোর সময় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা।
এগুলো ছাড়াও আরও বেশকিছু প্রয়োজনীয় এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন রয়েছে যেগুলো নিয়ে
পরবর্তীতে কোন এক সময় লেখার ইচ্ছা রয়েছে। আপনার জানামতে কোন প্রয়োজনীয়
এপ্লিকেশন যেটি এখানে স্থান পায়নি তা মন্তব্যের মাধ্যমে জানাতে পারেন।