https://ganbichchitra.blogspot.com/google785737830bcedd5c.htm May 2017 ~ www.ganbichchitra.blogspot.com

জ্ঞান বিচিত্রা জ্ঞানের আলো,জ্ঞানের সন্ধানে সবাই চলো

AD BANNER
IT World Bangla

রাগ হল এমন একটি বাতাস যা বিবেকের প্রদীপ নিভিয়ে দেয়

মুক্ত বিশ্বাস হচ্ছে সকল সাফল্য, সকল অর্জনের ভিত্তি। বিশ্বাসই রোগ নিরাময় করে, মেধাকে বিকশিত করে, যোগ্যতাকে কাজে লাগায়, দক্ষতা সৃষ্টি করে। ব্যর্থতাকে সাফল্যে আর অশান্তিকে প্রশান্তিতে রূপান্তরিত করে।

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

নিয়ত বা অভিপ্রায় হচ্ছে মনের লাগাম। নিয়ত মনকে নিয়ন্ত্রন করে, দেহকে সঠিক পথে পরিচালিত করে, দেহ-মনে নতুন বাস্তবতার জন্ম দেয়

আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে

ব্যক্তিগত খেয়াল বা আবেগ আর জীবনের লক্ষ্যকে এক করে ফেলবেন না। লক্ষ্যকে যখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন তখন তা আপনাব্যর্থরা অবচেতনভাবে ব্যর্থতার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে। সচেতনভাবে সাফল্যের সঙ্গে একাত্ম হলে সহপাঠী বা প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক আর বন্ধুত্ব এক নয়। চেতনা ও আদর্শের মিল রয়েছে এমন কারো সঙ্গেই বন্ধুত্ব হতে পারে।সাফল্যই আপনার দিকে আকৃষ্ট হবে।কে আবেগের ঊর্ধ্বে নিয়ে যাবে

Banga Bandu Bridge

“ মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক, যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ, কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনাসূদে অকৃত্রিম ভালোবাসা ”


Monday, May 1, 2017

অ্যান্টিভাইরাস ছাড়াই পিসি সুরক্ষিত রাখুন

অ্যান্টিভাইরাস ছাড়াই পিসি সুরক্ষিত রাখুন


ইন্টারনেট থেকে কম্পিউটারে ভাইরাস সংক্রমণ হয়। পেনড্রাইভ, ডিস্ক, মেমরি কার্ড ও অন্যান্য এঙ্টারনাল ডিভাইসের মাধ্যমেও কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। তবে অ্যান্টিভাইরাস কম্পিউটারের সব ভাইরাস চিহ্নিত করতে এবং সেগুলো মুছে ফেলতে পারে না। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার র‌্যামের বেশি পরিমাণ জায়গা দখল করার কম্পিউটার অনেক ধীরগতির হয়ে যায়।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। তাই এক্সটারনাল ড্রাইভ থেকে যাতে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু ভাইরাস ইনফেক্টেড এক্সটারনাল ডিভাইস (যেমন পেনড্রাইভ) ওপেন করার পরই ভাইরাস পিসিতে প্রবেশ করে, তাই এগুলো কম্পিউটারে সংযোগ দেওয়ার পর তা সরাসরি ওপেন না করাই ভালো। যেসব কম্পিউটারে এক্সটারনাল ড্রাইভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয় সেগুলোতে অটোরান বন্ধ করে নিতে হবে।
অটোরান বন্ধ করার জন্য start থেকে run-এ গিয়ে gpedit.msc টাইপ করতে হবে। এরপর ok বাটনে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো আসবে। এখান থেকে computer configuration সিলেক্ট করুন। এখান থেকে administrative templates->system-এ যান। এখান থেকেturn off autoplay-তে ডাবল ক্লিক করুন। এবার ‘turn off autoplay’ enable করুন এবং ‘turn off autoplay on’ ড্রপ-ডাউন বক্স থেকে ‘All drives’ সিলেক্ট করুন, এরপর ok বাটনে ক্লিক করুন। কম্পিউটারে সব ধরনের ডিভাইসের অটোরান বন্ধ হয়ে যাবে।
এক্সটারনাল ড্রাইভগুলো থেকে কম্পিউটারে ডেটা আদান প্রদান করার সময়ও ভাইরাস ঢুকে পড়তে পারে; তবে ড্রাইভ না খুলেই ডেটা আদান-প্রদান করতে কম্পিউটারে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিতে হবে। www.explorerxp.com/explorerxpsetup.exe থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। সফটওয়্যারটি রান করলে কম্পিউটারে থাকা সবগুলো ড্রাইভ দেখা যাবে। এখান থেকে পেনড্রাইভে প্রবেশ করে ডেটা কপি করা যাবে। কোনো ফাইলে যদি ভাইরাস থাকে, তাহলে সেটি নোটিফিকেশন আকারে দেখিয়ে দেবে সফটওয়্যার। ওই ফাইলটি কম্পিউটারে নেওয়া যাবে না। কোনো ফোল্ডারের নামের সঙ্গে .exe এক্সটেনশন  থাকলে তা অবশ্যই ভাইরাস – এগুলো কম্পিউটারে না নেওয়াই ভালো।
যারা ভাইরাসযুক্ত ফাইল সহজে চিনতে পারেন না তাঁরা কম্পিউটারে এমন কোনো থিম ব্যবহার করতে পারেন, যা ফোল্ডারের রং পরিবর্তন করে রাখে। তাহলে পেনড্রাইভের এবং কম্পিউটারের ফোল্ডারের রং পরিবর্তন হয়ে যাবে। যেসব ফোল্ডারের রং পরিবর্তন হবে না সেগুলোই ভাইরাস রং পরিবর্তক এ রকম একটি সফটওয়ার থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ৫টি এ্যাপ্লিকেশন

অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ৫টি এ্যাপ্লিকেশন

 

এন্ড্রয়েড ফোনের জনপ্রিয়তার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। বাজারে আসার পর থেকে আর এন্ড্রয়েডকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে এন্ড্রয়েড মার্কেটে ১০ লাখের বেশি এপ্লিকেশন রয়েছে। এর মধ্যে ২২ ভাগই নিম্নমানের আর তাই এপ্লিকেশন ইন্সটল করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।
সাধারনত নতুন এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ফোন কেনার পর কোন কোন এপ ইন্সটল করবেন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। তার তাই খুবই গুরুত্বপূর্ন ৫টি এন্ড্রয়েড এপ নিয়েই থাকছে এই পোস্ট।

১- avast! Mobile Security & Antivirus

পিসির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় নিরাপত্তার সফটওয়্যার হচ্ছে avast. এন্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটার চালানো এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করা যেমন বিপজ্জনক, তেমনি স্মার্টফোনের নিরাপত্তার জন্যও এন্টিভাইরাস প্রয়োজন। আর এই কাজটি যথাযথভাবে করবে এভাস্ট মোবাইল সিকিউরিটি এন্ড এন্টিভাইরাস।

২- File Manager

এডভান্সড ব্যবহারকারীদের অনেক সময় ফাইল ম্যানেজার প্রয়োজন হয়। অসংখ্য ফাইল ম্যানেজার এপ্লিকেশনের ভিড়ে এই এপ্লিকেশনটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশি সুবিধা প্রদান করে।

৩- Viber

ফ্রী ভিওআইপি এবং ম্যাসেজিং এর সুবিধা প্রদান করে ভাইবার। মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম সাপোর্টেড এই এপ্লিকেশনটি বাংলাদেশে যথেস্ট জনপ্রিয় এবং নিশ্চিতভাবেই আপনার অনেক বন্ধুবান্ধব এটি ইতোমধ্যেই ব্যবহার করছেন।

৪- Smart Lockscreen Protector 

আর দশটি সাধারন লকস্ক্রীন এপস এর চাইতে বেশ কিছু বেশি সুবিধা প্রদান করে এই এপ্লিকেশনটি। যেমন, ফোন চুরি হয়ে গেলে চোর সাধারনত সাথে সাথেই ফোনটি বন্ধ করে ফেলে। তবে এই এপ্লিকেশনটি ইন্সটল করা থাকলে আপনার ফোন চুরি হয়ে গেলেও চোর চাইলেও সাথে সাথে ফোনটি বন্ধ করতে পারবে না। ফলে চোর কাছাকাছি থাকলে ফোনে কল দিয়ে তাকে ধরার একটি সুযোগ থাকে।

৫-  Trigger

ট্রিগার একটি টাস্ক অটোমেটর। একটি কাজ করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অপ্রয়োজনীয় আরেকটি কাজ বন্ধ করে দিতে সাহায্য করে এটি। যেমন ওয়াইফাই চালানোর সময় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা।
এগুলো ছাড়াও আরও বেশকিছু প্রয়োজনীয় এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন রয়েছে যেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে কোন এক সময় লেখার ইচ্ছা রয়েছে। আপনার জানামতে কোন প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন যেটি এখানে স্থান পায়নি তা মন্তব্যের মাধ্যমে জানাতে পারেন।

উইন্ডোজ এক্সপির সাপোর্ট প্রত্যাহার নিছকই এক জুজুবুড়ীর ভয়?

উইন্ডোজ এক্সপির সাপোর্ট প্রত্যাহার নিছকই এক জুজুবুড়ীর ভয়?

৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে মাইক্রোসফট তার দীর্ঘদিনের পুরনো উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের জন্য সিকিউরিটি আপডেট দেয়া বন্ধ করে দেয়।বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, ৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে এক্সপির সিকিউরিটি আপডেট ইস্যু মাইক্রোসফট বন্ধ করার পরও এটি এখনও উইন্ডোজ ঘরনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় এবং ব্যবহার হওয়া অপারেটি সিস্টেম। সারা বিশেব বাসায় এবং অফিসে পিসি ব্যবহারকারীদের প্রতি তিনজনের একজন এখনও এক্সপি ব্যবহার করেন। শুধু তাই নয়, কিছু এটিএম, ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান, এজেন্সি, এনজিওসহ অনেক কনজ্যুমার ব্যবসায় ও অন্যান্য বাণিজ্যিক সিস্টেমে এখনও এক্সপি ব্যবহার হচ্ছে।
সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব মেশিন ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এবং ম্যালিশাস আক্রমণের জন্য খুবই ভলনিয়ারিবল হয়ে পড়বে অর্থাৎ খুবই অনিরাপদ সিস্টেমে পরিণত হবে মাইক্রোসফটের সিকিউরিটি  সাপোর্ট প্রত্যাহার করে নেয়ার এ তথ্য পর্যালোচনা করে সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে, এক্সপির সিকিউরিটি আপডেট ইস্যু মাইক্রোসফট বন্ধ করার বিষয়টি মাইক্রোসফটের একটি ব্যবসায়ীক কুট-কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।
যদি আপনি একজন এক্সপি ভক্ত বা ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে উইন্ডোজ ব্যবহারের শেয়ার পরিসংখ্যান জানার জন্য Netmarketshare.com, NetApplication সাইটে ভিজিট করে দেখতে পারেন। এরা পরিমাপ করে ওয়েব ব্রাউজারের ব্যবহারের শেয়ার, সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহারের শেয়ার এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের শেয়ার।
৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে এক্সপির সিকিউরিটি আপডেট ইস্যু মাইক্রোসফট বন্ধ করার ফলে কী কী ধরনে নিরাপত্তাজনিত সমস্যায় ব্যবহারকারীরা পরতে পারেন তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে যে প্রচারণা চালিয়ে ছিল তা নিছকই উইনেটল তথা উইন্ডোজ এবং ইনেটলের ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিলের  কৌশল ছাড়া আর কিছু নয় কিংবা এটি নিছকই এক জুজু বুড়ীর ভয় ছাড়া আর কিছু নয়।
আর বর্তমানে এক্সপি‘র ব্যবহারকারী ২৭.৬৯ শতাংশ পক্ষান্তরে উইন্ডোজ ৭ এর ব্যবহারকারী সংখ্যা প্রায় ৪৮  শতাংশ। সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব মেশিন ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এবং ম্যালিশাস আক্রমণের জন্য খুবই ভলনিয়ারিবল হয়ে পড়বে অর্থাৎ খুবই অনিরাপদ সিস্টেমে পরিণত হবে মাইক্রোসফটের সিকিউরিটি  সাপোর্ট প্রত্যাহার করে নেয়ার। এ তথ্য পর্যালোচনা করে সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে, এক্সপির সিকিউরিটি আপডেট ইস্যু মাইক্রোসফট বন্ধ করার বিষয়টি মাইক্রোসফটের একটি ব্যবসায়ীক কুট-কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।

এ লেখায় উইন্ডোজ এক্সপি’র প্রত্যাহরের পরের যে শেয়ারের পরিমাণ তুলে ধরা হয়েছে যাতে আপনি বুঝতে পারেন যে উইন্ডোজ এক্সপি’র সপোর্ট প্রত্যাহরের বিষয়টি নিছকই জুজু বুড়ির ভয় ছাড়া আর কিছুই নয়।  কেননা এক্সপি’র সাপোর্ট প্রত্যাহার করে নেয়ার পর প্রায় তিন মাস হতে চলছে অথচ কোনো মারাত্নক বিপর্যয়ের তথ্য বা খবর শোনা যায়নি যার কারণ হতে পারে উইন্ডোজ এক্সপি’র ত্রটিপূর্ণ সিকিউরিটি।

 

আপনার হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পেতে সাহায্য করবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস!!!!!



আপনার হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পেতে সাহায্য করবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস!!!!!

শিরিনাম দেখে হয়তো চমকে গেছেন তাইতো,আপনি ঠিক দেখেছেন। এখন মবাইল ফোন হাড়িয়ে গেলে আর র‍্যাব বা পুলিশ এর কাছে জেতে হবেনা,এখন আপনি নিজেই বের করতে পারেন হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়ে যাওয়া ফোন।

আপনার হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পেতে সাহায্য করবে অ্যান্ড্রয়েড এ্যপলিকেশন!!!!!
Find my phone free
খুজে বের করুন  আপনার misplaced ফোন , হারিয়ে বা চুরি হয়ে গেছে এমন ফোন।
 বিশেষত্ব
.  ফোন খুঁজুন
আপনার ফোন কলের সময় টর্চলাইট এবং সতর্কবার্তা শব্দ করে  আপনার ফোন খুঁজুন. এখন আপনার স্মার্টফোন ফ্ল্যাশ করে  এবং সতর্কতামূলক শব্দ করে  অন্ধকার রাতে , এমনকি silent mode এ, আপনি সহজেই আপনার ফোন খুঁজে পান.
. ফোন নির্ণয় করুন
আপনার পরিবা্রের কারো সাথে যদি আপনার অবস্থান শেয়ার করতে চান, . শুধু এই ফাংশন সক্রিয় করুন,
. লক এবং  ফোন ট্র্যাক
আপনি   ক্যাফে, অফিস বা রেস্টুরেন্টের  মত জায়গায় আপনার ফোন হারিয়েছেন , কোন সমস্যা নেই। এখানে শুধু আপনার ফোন থেকে একটি sms করে সেটা খুঁজে পেতে পারেন এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ফোন লক এবং আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আপনি Google ম্যাপ ব্যবহার করে ট্র্যাক করতে পারেন যে কোন ফোন।
.  লোকেশন মনে রাখুন
একটি অবস্থান মনে রাখবেন এবং সহজে ফিরে যান. উদাহরণস্বরূপ, আমার গাড়ির অবস্থান থেকে রেকর্ড করতে করতে আপনি ডিনার শেষ করে যখন সেটা খুঁজেবেন    তখন এটি  জায়গা মনে রাখবেন.
সামনের ক্যামেরা দ্বারা একটি ছবি নিন এবং এটি আপনার মেইলে সেই ছবি পাঠিয়ে দিবে।