https://ganbichchitra.blogspot.com/google785737830bcedd5c.htm আপনার পুরোনো স্মার্টফোনকে যে সব কাজে লাগাতে পারবেন তা জেনে নিন ~ www.ganbichchitra.blogspot.com

জ্ঞান বিচিত্রা জ্ঞানের আলো,জ্ঞানের সন্ধানে সবাই চলো

AD BANNER
IT World Bangla

Wednesday, April 11, 2018

আপনার পুরোনো স্মার্টফোনকে যে সব কাজে লাগাতে পারবেন তা জেনে নিন

ঝকঝকে নতুন একটি স্মার্টফোন কেনার পর ভাবছেন পুরোনোটি নিয়ে কী করবেন? পুরোনো স্মার্টফোনটি বাড়িতে, অফিসে কিংবা রাস্তায় নানা কাজে লাগাতে পারেন। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়া পুরোনো স্মার্টফোনের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ওয়্যারলেস রাউটারআপনার পুরোনো স্মার্টফোনটি কী বিল্ট ইন ওয়াই-ফাই হটস্পট? এই ফিচারটি থাকলে আপনি সহজেই পুরোনো স্মার্টফোনটিকে পোর্টেবল রাউটার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। থ্রিজি সিমকার্ড দিয়ে এই সুবিধা নিতে পারেন। পকেট ওয়াই-ফাই হিসেবে এই পুরোনো স্মার্টফোনটি ব্যবহারের ফলে প্রতিটি ইন্টারনেট সুবিধার পণ্যে আলাদা আলাদা ইন্টারনেট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। নিরাপদ অ্যাকসেস পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিজের হটস্পট তৈরি করে নিতে পারেন নিজেই।

টিভির মিডিয়া প্লেয়ার
পুরোনো মোবাইল ফোনে যদি টিভি-আউট বা এইচডিএমআই আউট ফিচার থাকে তবে আপনি সহজেই মোবাইল ফোনটিকে ফ্ল্যাশভিত্তিক মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য আপনার স্মার্টফোনে অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতার (৩২ বা ৬৪ গিগাবাইট) মেমোরি কার্ড থাকতে হবে। এই মেমোরি কার্ডে মুভি ও ভিডিও কপি করে রাখতে পারবেন। টিভির সঙ্গে মোবাইল হাই ডেফিনেশন লিংক (এমএইচএল) বা এইচডিএমআই কেবল দিয়ে সংযোগ স্থাপন করুন। ফোনটিকে কোনো পাওয়ার আউটলেটে যুক্ত করুন। আপনার প্রিয় মিউজিক ভিডিওটি এখন বড় পর্দায় দেখতে পারবেন। আপনার মোবাইল যদি ডিজিটাল লিভিং নেটওয়ার্ক অ্যালায়েন্স (ডিএলএনএ) বা মিরাকাস্ট নামের পিয়ার-টু-পিয়ার ওয়্যারলেস স্ক্রিনকাস্টিং স্ট্যানার্ড সমর্থন করে তবে তারবিহীন উপায়ে মাল্টিমিডিয়া অন্যান্য ডিভাইসে সম্প্রচার করতে পারবেন।

পিসির রিমোট কন্ট্রোলারঅ্যাপ্লিকেশন পরীক্ষা

বর্তমানে উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে নতুন নতুন অ্যাপ্লিকেশন বাড়ছে। আপনার পুরোনো স্মার্টফোন ব্যবহার করে আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশনটি আগে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নতুন স্মার্টফোনে কোনো অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার আগে পুরোনো স্মার্টফোনে তা পরীক্ষা করে দেখে নিলে নতুন স্মার্টফোনে নানা রকম ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। এ ছাড়াও পুরোনো স্মার্টফোনে কাস্টম রম পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ নিতে পারে। কাস্টম রম কোনো অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণটি পরীক্ষার সুযোগ করে দেয়। অপ্রয়োজনীয় বোল্টওয়্যার বা অ্যানিমেশন ইফেক্ট সরিয়ে আপনার মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে পারে কাস্টম রম।

ওয়্যারলেস সিকিউরিটি ক্যামেরা
স্মার্টফোনকে ওয়্যারলেস সিকিউরিটি ক্যামেরা হিসেবে রূপান্তর করার বেশ কিছু অ্যাপ্লিকেশন মার্কেটপ্লেসে পাবেন। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য আইপি ওয়েবক্যাম, আইওএসের জন্য আইভিজিলো স্মার্টক্যাম কাজে আসতে পারে। এই অ্যাপ্লিকেশনগুলো আপনার স্মার্টফোনের ক্যামেরার সাহায্যে লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং করতে পারে যা অন্য কোনো স্ট্রিমিং সমর্থিত পণ্যের যেকোনো ব্রাউজারে বা ভিডিও প্লেয়ারে দেখা যায়। এজন্য পুরোনো স্মার্টফোনটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে, চার্জার প্লাগ ইন করতে হবে। স্ট্রিমিং অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা থাকলে এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মধ্যে থাকলেই আপনার পুরোনো মোবাইল ফোনটি ওয়্যারলেস সিকিউরিটি ক্যামেরার কাজ করবে।

জিপিএস নেভিগেটরজিপিএস নেভিগেটর
আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগল ম্যাপস ও নেভিগেশন বিনামূল্যেই পাবেন। আপনি হয়তো গাড়ি চালানোর সময় এই নেভিগেশন ব্যবহার করেন। এর অর্থ হচ্ছে আপনার পুরোনো স্মার্টফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েডচালিত হয় তবে গাড়ির জন্য আলাদা করে জিপিএস নেভিগেটর কেনার দরকার হবে না। আপনাকে পুরোনো স্মার্টফোনটি গাড়িতে নেভিগেশন করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য জেনেরিক মাইক্রো ইউএসবি ১২ ভোল্ট কার চার্জার দরকার হবে যা মোবাইল ফোনটিকে চার্জ দিতে কাজে লাগবে। কার ড্যাশবোর্ড নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে নিলে এবং প্রয়োজনমতো কাস্টমাইজ করে নিলে পুরোনো স্মার্টফোনটিকে কার নেভিগেটর হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

পিসির রিমোট কন্ট্রোলারআপনার পুরোনো মোবাইল ফোনটিকে পিসির রিমোট কন্ট্রোলার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। পিসির কন্ট্রোলার হিসেবেও যদিও ওয়্যারলেস মাউস সবচেয়ে সুবিধার, কিন্তু যদি দূরে সোফা বা চেয়ারে বসে কম্পিউটার চালানোর প্রয়োজন হয়, তখন পুরোনো স্মার্টফোনটিকেও কন্ট্রোলার হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে। কম্পিউটারের ব্রাউজিং বা কোনো ভিডিও যদি বড় স্ক্রিনে দেখতে চান তবে পুরোনো মোবাইলটি কাজে লাগান। বিনামূল্যের অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল মাউস লাইট এক্ষেত্রে আপনার কাজে লাগতে পারে। অ্যাপ্লিকেশনটির পাশাপাশি মোবাইল মাউসের ওয়েবসাইট থেকে সার্ভার সফটওয়্যারটিও ডাউনলোড করে নিতে হবে। মোবাইল ফোনটিকে পিসি রিমোট হিসেবে ব্যবহার করতে মোবাইল ও পিসি উভয়ই একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে থাকতে হবে আর বাকি কাজটি সফটওয়্যারই সম্পন্ন করবে। মোবাইল মাউস অ্যাপটির মাধ্যমে আপনার স্মার্টফোনটি দিয়েই মাউস, কিবোর্ড কিংবা ইউনিভার্সাল রিমোটের কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। আইওএস প্ল্যাটফর্মের জন্য লজিটেকের টাচ মাউস অ্যাপটিও কাজে লাগানো যেতে পারে।

0 মন্তব্য(গুলি):

Post a Comment